কাগজের মণ্ড দিয়ে মূর্তি গড়ে জন্মদিনে কবিকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন

কাগজের মণ্ড দিয়ে মূর্তি গড়ে জন্মদিনে কবিকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন

কাগজের মণ্ড দিয়ে মূর্তি গড়ে জন্মদিনে কবিকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন

আজ, বৃহস্পতিবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৯ তম জন্মদিন। কবিকে শ্রদ্ধা জানাতে রেশমের দ্রব্য ও কাগজের মণ্ড দিয়ে তৈরি মূর্তি করলেন ইসলামপুরের মূর্তি শিল্পী সন্দীপ গুঁই। শিল্পী জানান, “কলকাতায় ট্যালেন্ট সার্চ অ্যাকাডেমিতে কিছু দিনের মধ্যেই একটি প্রতিযোগিতামূলক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে অংশ নেওয়ার জন্য ও  জন্মদিনে করিগুরুকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্যই এই মূর্তি তৈরি।” জানা গিয়েছে, কাগজের মণ্ড, রেশমের কাপড় ও সূতো-সহ প্লাস্টিকের বোতলের সাহায্যে ওই প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। দেড় ফুট উচ্চতার রবি মূর্তির ওজন মাত্র এক’শো ৭২ গ্রাম।

এর আগে পাটের বিবেকানন্দ, রেশমের এপিজে আবদুল কালাম, পাটের দড়ি, নারকোলের ছোবড়া, পাটকাঠি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিমা ও মূর্তি গড়ে সুনাম অর্জন করেছেন সন্দীপ গুঁই। টেরাকোটার মূর্তি গড়ে রাজ্য ও জাতীয় স্তরের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সোনার মেডেল পেয়েছেন। আবারও যাতে তাঁর সৃষ্টি কলকাতার ট্যালেন্ট সার্চ কেন্দ্র থেকে পুরস্কার আনতে পারে, তার জন্য রবীন্দ্রনাথের এই মূর্তি তৈরি করেছেন শিল্পী। ইতিমধ্যেই রবীন্দ্রনাথের অভিনব এই মূর্তি এলাকার সুধীজনদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। শিল্পী জানান, এধরনের মূর্তি তৈরি আমার পেশা নয়, নেশা। আমার মেধা ও ভালোবাসা দিয়ে তৈরি শিল্প মানুষের ভাল লাগলেই আমি ধন্য।

তিনি জানান, “নেশার মধ্যে শিল্পীর শিল্পত্ব গুণের প্রভাব থাকে। শিল্পী তার ভালোলাগা দিয়ে তৈরি করেন প্রতিমা। পরে সেটা দেখে দর্শকদের ভাল লাগে। আর পেশার বিষয়টিতে থাকে ক্রেতার পছন্দ। মূর্তির চোখটা এমন হবে, নাকটা এমন, অথবা রঙের বিষয়টি এমন হবে বলে ক্রেতা নির্দেশ দেবেন। এতে শিল্পত্ব ফুটিয়ে তোলা কঠিন। তাই আমি এটাকে পেশা করি নি।

মুর্শিদাবাদের ইসলামপুরে বেশ কয়েকটি আঁকা স্কুল চালান শিল্পী  সন্দীপ গুঁই। আঁকা শিখিয়ে যা রোজগার হয়, তাই দিয়ে সংসার চলে। বাড়ির আশপাশের পরিত্যক্ত জিনিস যেমন কাগজ, রেশম ও রেশম সুতো, নারকোলের ছোবড়া, পাট ও পাটকাঠি দিয়ে মূর্তি বানান তিনি।

পাঠকের মন্তব্য