ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজের পঞ্চম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। তিন খেলা থেকে সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট পেয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। ৯ পয়েন্ট নিয়ে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করেছে জেসন হোল্ডারের দলটি।

সোমবার ডাবলিনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২৪৭ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে  ১৬  বল হাতে রেখে পাঁচ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় লাল-সবুজদের দল। এই জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটা এখন নিয়ম রক্ষার। আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করে ক্যারিবিয়ানদের সঙ্গে কাপ জেতার ম্যাচটি ১৭ মে।

২৪৮ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার তামিম ইকবাল আর সৌম্য সরকার দারুণ শুরু করেন। দলীয় ৫৪ রানের মাথায় অ্যাশলে নার্শের বল মিস করে বোল্ড হন তামিম। তার আগে এই বাঁহাতি ওপেনার ২৩ বলে চারটি চারের সাহায্যে করেন ২১ রান। এরপর ৫২ রানের জুটি গড়েন সাকিব-সৌম্য। দলীয় ১০৬ রানের মাথায় বিদায় নেন সাকিব। অ্যাশলে নার্শের বল এগিয়ে এসে খেলেছিলেন, ব্যাটে-বলে ঠিকভাবে না লাগলে ক্যাচ ওঠে শর্ট কাভারে। রোস্টন চেজের হাতে ধরা পড়ার আগে সাকিব ৩৫ বল তিনটি বাউন্ডারিতে করেন ২৯ রান।

স্কোরবোর্ডে মাত্র ১ রান যোগ হতেই বিদায় নেন ওপেনার সৌম্য সরকার। এই ম্যাচেও সৌম্য খেলেছেন দুর্দান্ত গতিতে। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ফিফটির দেখা পেয়েছেন। বিদায়ের আগে এই বাঁহাতি ওপেনার ৬৭ বলে চারটি চার আর দুটি ছক্কায় করেন ৫৪ রান। বাংলাদেশ দলীয় ১০৭ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায়। টপঅর্ডারের তিনটি উইকেটই নেন ১০ ওভারে ৫৩ রান খরচ করা অ্যাশলে নার্শ।

দলীয় ১৯০ রানের মাথায় বিদায় নেন দারুণ ব্যাট করা মোহাম্মদ মিঠুন। জেসন হোল্ডারের বলে বোল্ড হওয়ার আগে তিনি করেন ৪৩ রান। তার ৫৩ বলে সাজানো ইনিংসে দুটি করে চার ও ছয়ের মার ছিল। জয় থেকে মাত্র ৮ রান দূরে থাকতে কেমার রোচের বল তুলে মারতে গিয়ে আউট হন মুশফিকুর রহিম। বিদায়ের আগে টাইগার এই রানমেশিন ৭৩ বলে ৫টি চার আর একটি ছক্কায় করেন ৬৩ রান। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে যোগ করেন ৫০ রান। রিয়াদ ৩৪ বলে এক চার, এক ছক্কায় ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন। সাব্বির রহমান ০ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২৪৭ রান গড়তে শেই হোপ খেলেন ৮৭ রানের একটি ঝলমলে ইনিংস। আর হোল্ডার করেন ৬২ রান।

মাশরাফি ও মুস্তাফিজের বোলিং নৈপুণ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এই রানে আটকে ফেলে বাংলাদেশ। ১০ ওভার বল করে ৬০ রান দিয়ে তিন উইকেট তুলে নেন নড়াইল এক্সপ্রেস। চার উইকেট পান মুস্তাফিজ ৪৩ রান খরচায়। এ দিন দারুণ সাফল্য পেয়ে আত্মাবিশ্বাসটাও ফিরে পেয়েছেন কাটার-মাস্টার। আর সাকিব ও মিরাজ পান একটি করে উইকেট। তবে অভিষিক্ত সেপার আবু জায়েদ রাহি কোনো সাফল্য পাননি। ৯ ওভার বল করে ৫৬  রান খরচ করেন তিনি।

আজকের খেলায় প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার পেয়েছেন মুশফিকুর রহিম।

পাঠকের মন্তব্য