বিমান এয়ারলাইন : ব্যর্থতাই যার অন্তিম পরিণতি 

বিমান এয়ারলাইন : ব্যর্থতাই যার অন্তিম পরিণতি 

বিমান এয়ারলাইন : ব্যর্থতাই যার অন্তিম পরিণতি 

গোলাম সারোয়ার : বাংলাদেশ বিমান পণ করে বসে আছে, তারা বছরের পর বছর লোকসানই দিবে, যতক্ষণনা প্রতিষ্ঠানটির মৃত্যু নিশ্চিত হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের আত্মহত্যার নজির অবশ্য আগেরও আছে।

যেমন বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, জুটমিল কর্পোরেশন, স্টীলমিল, ক্যামিকেল কর্পোরেশন। এই সংখ্যা বড়ো দীর্ঘ। কর্তারা এগুলো খেয়ে ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু বিচার হয়নি একটিরও। সবাই আস্ত শরীর নিয়ে কবরে গিয়েছেন, বিচারের 'ব'-ও হয়নি।

শিপিং কর্পোরেশ এখন একটি মৃতপ্রায় প্রতিষ্ঠান। এদের 'ভাত নাই হড়ক আছে, ফেন খায় দরবারে নাচে'- অবস্থা। এদের কাজ-কারবার সমুদ্রগামী জাহাজ নিয়ে, কিন্তু তাদের নিজস্ব জাহাজের সংখ্যা কমতে কমতে এখন হয়েছে ৬টিতে। তার ভিতরে জীবন্ত আছে নাকি তিনটি, বাকিগুলো বেহুশ।

বিমানের অবস্থাও সেদিকেই যাচ্ছে। তাদের যাত্রী বেড়েছে, বহরে নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজও বেড়েছে। তবুও গত বছর লোকসান দিয়েছে তারা। তাদের মাথায় দিব্যি দিয়ে কেউ বলেনি, সারাজীবন লোকসানই করে যাবি। তবু কেন বিমান লোকসানের আকাশে উড়ে!

এর কারণও তারা বের করে ফেলেছেন নাসার বিজ্ঞানীদের মতো। কারণ হলো, অদক্ষ ব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম–দুর্নীতি। এটা বুঝতে অবশ্য রকেট ইঞ্জিনিয়ার হতে হয়না। বাংলার সাধারণ মানুষ ক্ষেতে খামারে বসেই বলে দিতে পারেন, কেন বিমান লোকসানের আকাশে গোত্তা খাচ্ছে।

কথা হলো, সবাই জানে এবং মানে দুর্নীতির কারণে বিমান লস দিচ্ছে। তাহলে তাদের শাস্তি হচ্ছেনা কেন ! নাকি তাদের শক্তির কাছে বাংলাদেশের কোন শক্তিই টিকতেছেনা !

বিমানে ক্রাশ শুদ্ধি অভিযান চালান। ড্রাসট্রিক এ্যকশন নিন। দেখবেন, সবকিছু সুচের মতো সোজা হয়ে গেছে। আর যদি মামাতো ভাই, খালাতো ভাইদের ম্যাচিভ পদায়ন করেই বসে থাকেন, তাহলে আর কি করবেন, আগডুম বাগডুম ছড়া তেলওয়াত করুন।

পাঠকের মন্তব্য