তিনজনে মিলে ধর্ষণের পর হত্যা করে সেই নার্সকে

তিনজনে মিলে ধর্ষণের পর হত্যা করে সেই নার্সকে

তিনজনে মিলে ধর্ষণের পর হত্যা করে সেই নার্সকে

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী বাসযাত্রী সেই নার্সকে তিনজনে মিলে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে বলে জানাল পুলিশ। আজ রবিবার বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন এমনটাই জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সেই নার্সকে দলবেঁধে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ধৃতদের যোগের প্রমাণ মিলেছে। ঘটনায় অভিযুক্তরা এই ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

বাংলাদেশ ডিআইজি জানিয়েছেন, রিমান্ডে নেওয়া বাকি চার আসামিকেও দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে, এই ঘটনায় যারা জড়িত রয়েছে তাদের কেউ ছাড় পাবে না। অহেতুক যেন কাউকে হয়রানি না করা হয় এ ব্যাপারেও দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

ডিআইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন আজ দিনভর ঘটনাস্থল বাজিতপুর ও কটিয়াদির বিভিন্ন স্পট পরদির্শন করেন। বিকালে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, গতত সোমবার ঢাকা থেকে স্বর্ণলতা পরিবহনের একটি বাসে করে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদিতে বাড়ি ফিরছিলেন ২৩ বছর বয়সী ওই নার্স। রাত পৌনে ১১টার দিকে তাকে জামতলী এলাকায় কিশোরগঞ্জ-ভৈরব সড়কের পাশ থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে এলাকাবাসী। কটিয়াদি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে কাজ করতেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

পাঠকের মন্তব্য