বগুড়ার পল্লিতে মামীকে হত্যা করে ভাগিনার আত্মহত্যা

বগুড়ার পল্লিতে মামীকে হত্যা করে ভাগিনার আত্মহত্যা

বগুড়ার পল্লিতে মামীকে হত্যা করে ভাগিনার আত্মহত্যা

বগুড়ার শিবগঞ্জে মামীকে হত্যা করে ভাগ্নে আত্মহত্যা করেছে। মামী ভাগিনার অনৈতিক সর্ম্পকে রাজী না হওয়া এবং স্বামী ছাইদুরের অনৈতিক সম্পর্কে বাঁধা দেওয়ায় তাকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ সুত্রে জানা যায়। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়নের ভাকখোলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মামী আলেয়া বেগম (৩৬) ভাকখোলা গ্রামের দিনমজুর সাইদুর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী। ভাগ্নে আপেল (২০) পার্শ্ববর্তী টেপাগাড়ী গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে।

সাইদুরের ১ম স্ত্রী রুবিয়া বিবি জানান, আপেল পেশায় কাঠ মিস্ত্রীর কাজ করে। ছোট বেলা থেকে আপেল একই পরিবারে নানা তোজাম্মেল হোসেনের বাড়িতে বসবাস করে। গ্রামবাসী জানায়, আলেয়া সংসারী মেয়ে হলেও তার মূল্যায়ন ছিলোনা সংসারে। তার স্বামীর পরকিয়া পাশাপাশি সতিনের এবং ভাগিনার কুপ্রস্তাবে আলেয়ার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। মঙ্গলবার কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মামি আলেয়াকে ভাগিনা আপেল টিউবওয়েলের পার্শ্বে গোসলের সময় বাটাল দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মামীর মৃত্যু হয়। এর পর ভাগিনা আপেল ঐ বাটাল সাথে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে পার্শ্বের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের একটি পরিত্যাক্ত ঘড়ে নিজে নিজেই ঐ বাটালের আঘাতে আত্মহত্যা করে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক সনাতন বলেন, পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। এবিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানায়, আপেল নিজেই তার মামীকে হত্যা করে নিজেই আত্মহত্যা করেছে। লাশ সুরাতাহাল শেষে বগুড়া শজিমেক এর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে ময়না তদন্তের জন্য। ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এলাকার মহিলার বলেন, কি হবে এখন মৃত আলেয়ার ২টি সন্তানের ভবিষ্যাত। এদিকে সাধারণ মানুষের বলবলি করছে তাহলে কি পারপেয়ে গেলো মৃত আলেয়ার নরপিশাচ স্বামী সাইদুর রহমান।

পাঠকের মন্তব্য