আওয়ামী দুঃশাসনের কারণে জনসমর্থন বেড়েছে বিএনপির 

খন্দকার মোশাররফ

খন্দকার মোশাররফ

বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও সরকারের দুঃশাসনের কারণে বিএনপির প্রতি জনসমর্থন বেড়ে গেছে বলে দাবি করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বর্তমান সংকট থেকে বিএনপি ঘুরে দাঁড়াবে এবং গণতন্ত্রকে মুক্ত করবে বলেই আশা জানান তিনি।

আজ (শুক্রবার) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে থাকায় তার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

বিএনপি সংকটে- সরকারের মন্ত্রীদের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, বিএনপি সংকটে নেই। খালেদা জিয়ার ইশারায় এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বিএনপি পরিচালনা করছে। এ সময়, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসা দাবি করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই বিএনপি চেয়ারপার্সনকে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে।

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিএনপির এ নীতি নির্ধারক বলেন, আজকে বাংলাদেশের মানুষ নিরাপদ নয়। মানুষের কোনো শান্তি ও কথা বলার অধিকার নেই। দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার নেই। আজকে ধর্ম-কর্মের অধিকারও নাই। কারণ আজকে বাংলাদেশকে ধর্মহীনতা করার চেষ্টা হচ্ছে।

ধানের দাম নিয়ে সরকার ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, কৃষকরা তাদের ধানের মূল্য পাচ্ছে না। এ কারণে পাকা ধান পুড়িয়ে ফেলছে। এটা বাংলাদেশের জন্য খুবই অশুভ সংকেত। এটা ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। কিন্তু সরকার এটাকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের মানুষ অনিশ্চিত ও অনিরাপদ জীবন যাপন করছে। গণতন্ত্র না থাকাতেই দেশে এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে, বিএনপি চেয়ারপান খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। আজ (শুক্রবার) বেলা ১১টায় বিজয়নগর থেকে শুরু হয়ে নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়। এ সময় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি সম্বলিত ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে কয়েকশ নেতাকর্মী এতে অংশ নেয়।

পাঠকের মন্তব্য