রাজনীতির রূপকল্প, পার্থিব বাস্তবতা ও মহাকালের পরাবাস্তবতা

গোলাম সারোয়ার, কলামিস্ট ও গবেষক

গোলাম সারোয়ার, কলামিস্ট ও গবেষক

গোলাম সারোয়ার,  উপ-সম্পাদকীয় : ভারতের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ উষা পাটনায়েক গবেষণা করে দেখিয়েছিলেন, পৌনে দু’শ বছরের ব্রিটিশ শাসনের সময় ভারতবর্ষ থেকে ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থের সম্পদ ব্রিটেন নিয়ে গিয়েছে। এ পরিমাণ অর্থ বর্তমান যুক্তরাজ্যের জিডিপির ১৭ গুণেরও বেশি। ভারতের আরেক প্রখ্যাত সাংসদ, লেখক, সাবেক কূটনৈতিক শশী থারুর সেই লুটের ক্ষতিপূরণের দাবি করেন। বাস্তবিক পক্ষেই ভারতবর্ষের তাঁতশিল্প, বিশেষ করে ঢাকার মসলিন আর নারায়ণগঞ্জের বস্ত্রশিল্প, যা ইউরোপের বাজারে খ্যাতির শীর্ষে ছিলো, তা ধ্বংস করেই ব্রিটেনের শিল্পবিপ্লব সাধিত হয়েছিলো। ভারতবর্ষের অংশ হিসেবে সে লুট হওয়া সম্পদ আমাদেরও ছিলো।  

আমাদের সম্পদ ১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত লুট করেছে গ্রেট ব্রিটেন আর ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ২৪ বছর পশ্চিম পাকিস্তান। পাকিস্তান কায়েম হওয়ার দুই বছর পর ১৯৪৯ সালে দুই অঞ্চলের মাথাপিছু আয়, উন্নয়ন ও রাজস্বখাতে ব্যয়ের ব্যবধান ছিলো ৬৩ টাকা (২১.৯%)। তার ২০ বছর পর ১৯৬৯ সালে আইয়ুব খান যখন ক্ষমতা ছাড়ে তখন ব্যবধান দাঁড়ায় ২০২ টাকা (৬১.০৫%)।

তারপর এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীন হলাম। নিখিল পাকিস্তানের সব সেক্টরের কেন্দ্র যেহেতু পশ্চিম পাকিস্তানে; শিল্পকারখানা, ব্যাংক বিমাসহ সব সেক্টরের সব সম্পদের দখলও তারাই ধরে রাখলো। ১৯৮৩ সালের ভিয়েনা কনভেনশন মতে, বাংলাদেশ পাকিস্তানের কাছে সে সব সম্পদের হিস্যা পাওয়ার কথা। কিন্তু পাকিস্তান আমাদের তা আজও দেয়নি। ১৯৭০ সালের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান রিপোর্ট আমলে নিয়ে গবেষণা করে প্রখ্যাত গবেষক আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন দেখান, ১৯৭৪ সালের হিসাবে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে ৪ হাজার মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ পায়। ১৯৭৪ সালে ডলারের দাম ছিলো ৮ টাকা। বর্তমানে ডলারের দাম সাড়ে ৮৪ টাকা ধরলে পাকিস্তানের কাছে আমাদের পাওনা দাঁড়াবে ৩ লাখ ২৫ হাজার মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। পাকিস্তান আমাদের সে টাকা দেয়নি, যেমন দেয়নি ব্রিটেন। দাবিকৃত টাকা যদি এখন দেয়ও, তবুও আমাদের ক্ষতিপূরণ সমান হবে না। কারণ আড়াইশ বছর আগের সম্পদ কিংবা আটচল্লিশ বছর আগের সম্পদ আর বর্তমানের সম্পদ এক হবে না। কারণ সম্পদ পুঁজি গড়ে আর পুঁজি আনে মুনাফা, ব্যবসা এবং সম্পদ।

পাকিস্তান আমাদের সম্পদের হিস্যাতো দেয়ইনি, উপরন্তু স্বাধীনতার পর থেকে আইএসআইসহ তাদের এ দেশীয় দোসরদের মাধ্যমে কষ্ট দিয়েছে। সে কারণে আমাদেরকে বাহাত্তরে অনেকটা শূন্য থেকে শুরু করতে হয়েছে, পঁচাত্তরে মহাসংকটে পড়তে হয়েছে, সমস্ত আশির দশকে স্বৈরাচারে নিমর্জ্জিত থাকতে হয়েছে, নব্বইয়ের দশকে, এমনকি একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও আমাদেরকে ধর্মঘটে, হরতালে, জঙ্গিবাদে, বিশৃঙ্খলায় বুঁদ হয়ে থাকতে হয়েছে। কিন্তু কোন জাতির অন্তর্নিহিত শক্তি যদি হয় অভিজাতের, প্রাগ্রসরতা ও সফলতা যাদের স্থাবর সম্পত্তি তাদেরকে অনন্তকাল ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। একদিন না একদিন সঠিক নেতৃত্বে তারা দিশা পাবেই।

একটি জাতিকে এগিয়ে নেয় নেতৃত্ব এবং রূপকল্প। একজন স্টোরিটেলার ও একটি স্টোরি। দূরদর্শী কোন রূপকল্প যোগ্য ও সঠিক কোন নেতা যদি কোন জাতিকে বিশ্বাস করাতে পারে তবে সে জাতির এগিয়ে যাওয়া হয়ে উঠে জাস্ট সময়ের ব্যাপার। স্বাধীনতার পর অন্তত চারদশক বাংলাদেশ কঠিন সংকটে ছিলো। অথচ মাত্র গত একদশকে দেশটি বারবার বৈশ্বিক খবরের শিরোনাম হচ্ছে,--ইতিবাচক শিরোনাম, সেই তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ নয়।

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির গবেষণা মতে, বাংলাদেশ উন্নয়নে অর্থনীতির এক মিরাকল। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ‘সেন্টার ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ’ বলছে বাংলাদেশ ২০৩৩ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৪তম বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশে পরিণত হবে। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বলছে, ২০১৯ সালে বিশ্ব প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় শীর্ষে থাকবে, যা সম্ভাব্য ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের গবেষণা বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ মাথাপিছু আয়ে ভারতকে পেছনে ফেলবে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রফতানিতে বিশ্বে দ্বিতীয়, মিঠাপানির মাছ ও সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় এবং চাল উৎপাদনে বিশ্বের মাঝে চতুর্থ অবস্থান অর্জন করেছে।

বিশ্বের আয়তন ও ব্যাপ্তির তুলনায় বাংলাদেশ অত্যন্ত ছোট। এই ছোট দেশ এখন মনোযোগ আকর্ষণ করছে, গোল্ডম্যান স্যাকস, প্রাইস ওয়াটার হাউজ কুপারস, ফিল্ড রেটিংস, পিউ রিসার্চ সেন্টার, জেপি মরগ্যান, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, দ্যা গার্ডিয়ান, দ্যা ইকোনমিস্টের মতো বিশ্বখ্যাত জরিপ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের! তারা শুধু শুধু বাংলাদেশ নিয়ে গবেষণা করছেনা, এখান হেতু আছে। দু’একটি খাত দেখে নেওয়া যাক।

১৯৭২ সালে আমরা যখন শুরু করি তখন আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিলো শূন্য দশমিক ২৭ মিলিয়ন ডলার। ২০০৮ সালে রিজার্ভ হয় ৬ বিলিয়ন ডলারের মতো। ২০১৭ সালে এসে তা দাঁড়ায় ৩৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। মানে এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র তিন যুগে যতটুকু এগিয়েছে, গত দশ বছরে তার সাড়ে চারগুণ বেশি এগিয়েছে। বাজেটের ক্ষেত্রে ১৯৭২-৭৩ সালে বাংলাদেশ ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দেয়, যা ২০০৮-০৯ অর্থবছরে হয় ৯৯ হাজার ৯৬২ কোটি টাকার। আর বর্তমানে আমরা প্রায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবায়ন করতেছি। ১৯৭২ সালে আমাদের জিডিপির আকার ছিলো ৬ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলারের। ২০০৯ সালে তার আকার হয় ১০০ বিলিয়ন ডলারের মতো আর বর্তমানে আমাদের জিডিপি  ২৭৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

তারমানে গত এক দশকেই আমাদের প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। আমাদের সামনে এখন অনেক পরিকল্পনা। আমাদের আছে পদ্মাসেতু ও মেট্রোরেলের মতো মেগাপ্রকল্প, যা এবছরই শেষ হবে বলে সরকার আশা করে, আছে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ, যার ভিতরে চারটির কাজ এ বছর শুরু হচ্ছে। আমাদের আছে ২০৩০ সালের ভিতরে এসডিজি অর্জনের প্ল্যান, আছে ২০৪১ সালের ভিতরে উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্বে মাথা তুলে দাঁড়াবার প্ল্যান। আছে মহাপরিকল্পনা ‘ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’।

তবে আমাদের স্বপ্নের সঙ্গে সংকটও আছে। ব্রিটিশ আর পাকিস্তানিরা ২১৪ বছরের অপশাসনের সময় শুধু আমাদের সম্পদ লুট করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা আমাদেরকে অনেক মন্দজিনিসও শিখিয়ে গেছে। তাই আমাদের দুর্নীতির সমস্যা আছে, সুশাসনের সমস্যা আছে, ব্যাংকগুলো বিশৃঙ্খলা হয়ে আছে। বেশি বিশি মেগাপ্রজেক্টের কারণে বিনিয়োগ যেভাবে হচ্ছে সেভাবে কর্মসৃজন হচ্ছে না। আবার ২০১৭ সালের আগস্টের পর রিজার্ভ আর সেই ৩৩ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করতে পারছে না। এর কারণও অবশ্য আছে। মেগাপ্রজেক্টগুলোর জন্যে ক্যাপিটাল যন্ত্রাংশ আনতে হচ্ছে।

তবে যেভাবেই হোক অতিজরুরি শিল্প সরঞ্জাম, জ্বালানি, সার ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ পণ্য ছাড়া আমদানিকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। রফতানি ও রেমিটেন্সকে উৎসাহিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, এশিয়ায় রিজার্ভে যে আমরা বর্তমানে ভারতের পর দ্বিতীয় অবস্থানে আছি, সে আমরাই ২০০১ সালে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল বাকি রাখতে বাধ্য হয়েছিলাম। আবার যে পাকিস্তানের রিজার্ভ ২০১৬ সালে ছিলো ১৯ বিলিয়ন ডলার, তাদেরই রিজার্ভ ২০১৮ সালের জুনে ১০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিলো। অপচয়, অবিচার, দুর্নীতি আর রাষ্ট্রীয় অনাচারের কারণে গত বছর তাদের নিট বৈদেশিক রিজার্ভ ঋণাত্মক অবস্থানেও চলে গিয়েছিলো।

বৈশ্বিক অর্থনীতিবিদরা ভবিষ্যদ্বাণী করছে, ২০০৮ সালের মতো বিশ্ব আবারো ২০২০তে মন্দায় পড়ে যেতে পারে। চীনের মতো অর্থনীতির বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ২০১৮ সালে হয়েছে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ, যা গত তিন দশকের মধ্যে সর্বনিন্ম। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি বৃহৎ ঘাটতির উপর চলছে, চানয়া তাদের ‘বেল্ট এবং রোড’ শ্লোগানের পক্ষে মেঘ সৃষ্টি করার জন্যে ঋণ করে ঘি খাওয়ার জন্যে তাদের বলয়ের রাষ্ট্রেগুলোকে আশকারা দিয়ে যাচ্ছে, ইউরোপ এখনো মন্দার ঘোর কাটিয়ে উঠার পথেই আছে। এগুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকট, বিশেষ করে ইরানের উপর অর্থনৈতিক অবরোধের ফলাফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম বাড়বে, যা মুদ্রাস্ফীতিতে ঘি ঢালবে। মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমবে, তারল্য কমবে। তারল্য কমলে সুদের হার বাড়বে। সুদের হার বাড়লে উৎপাদন খরচ বাড়বে। উৎপাদন খরচ বাড়লে পণ্যের মূল্য আরও বাড়বে আর পণ্যের মূল্য বাড়লে মানুষ পণ্যের ব্যবহার কমাবে। পণ্যের ব্যবহার কমলে উৎপাদন কমে যাবে। উৎপাদন কমলে কর্মসৃজনও কমে যাবে, তাই বেকারত্ব বাড়বে। বেকারত্ব বাড়লে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা আরও কমবে। পরিণামে অর্থনীতি চলে যাবে মন্দার মন্দচক্রের দিকে। আবার যুক্তরাষ্ট্র চীনের বাণিজ্য যুদ্ধের ফলাফলতো আছেই।

আশার কথা হলো এ বছর আমাদের বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়তেছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার দিকে চলে গেলে বাংলাদেশ বিশ্বের বাইরে নয়। সুতরাং মন্দার ঢেউ আমাদের গায়েও লাগবে। ইথিওপিয়ার গার্মেন্টস শ্রমিকেরা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব্র্যাণ্ডগুলোর পোষাক তৈরি করে থাকে সবচেয়ে কম রেটে। তারা এখন বলছে, এন্ট্রি লেবেলের একজন তৈরি পোষাক শ্রমিককে ২৬ ডলার দিয়ে কাজ করিয়ে দিবে। ২৬ ডলার মানে আমাদের দেশের হিসেবে প্রায় ২ হাজার ২০০ টাকা । আমাদের এন্ট্রি লেবেলের খরচ হলো ৮ হাজার টাকা। সৃতরাং সামনের দিনগুলোতে এইখাত থেকে আমাদের রফতানি আয়ের ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। কারণ পুঁজির সাধারণ ধর্ম হলো পুঁজি খাটিয়ে যেখানে সবচেয়ে কম খরচে সবচেয়ে বেশি মুনাফা করা যাবে সেখানেই পুঁজি চলে যাবে। তারমানে রফতানি আয়ে আমাদেরকে বৈচিত্র আনতে হবে। একটি ধরে পড়ে থাকলে চলবে না।

আমাদের পরিকল্পনায় রাখতে হবে স্বল্প, মধ্যম এ দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের চিন্তা, পরিকল্পনায় রাখতে হবে কর্মচাঞ্চল্যের, কর্মসৃজনের। তবে সবচেয়ে আগে লাগবে সুশাসন আর ন্যায়বিচার। না হলে কোন উন্নয়নই টিকে থাকবে না। আর মানুষকে স্বপ্নদেখাতে হবে। বাস্তবিক স্বপ্ন, বাস্তবায়নযোগ্য স্বপ্ন। মানুষ রূপকল্প কিন্তু বিশ্বাস করে। আর মানুষ বিশ্বাস করলে মানুষ অসাধ্য সাধন করে। সেটি মানুষ ইতোমধ্যে করে দেখিয়েছে। রূপকল্পই গত একদশকে আমাদেরকে জাগিয়ে তুলেছে। ১৭৫৭ সালের আগে পৃথিবীর যে মানচিত্র ছিলো সেখানে আমরাই ছিলাম ধনী। ইউরোপীয়রা, আরবরা আমাদেরই কাছে আসতো ভাগ্যের অন্বেষণে। আমাদের সম্পদ দিয়েই তারা হয়েছে পুঁজিপতি। আমরা ২১০০ সালের অভিষ্ট ‘মহা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করতে পারলে আগামী পৃথিবীতে নিশ্চিত আমরা আবারো ঘুরে দাঁড়াবো।

লেখক: কলামিস্ট ও গবেষক।

পাঠকের মন্তব্য