কানাডায় ছবি এঁকে পুরস্কার পেল বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত কিশোরী

বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত কিশোরী মারিয়া মাহফুজ

বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত কিশোরী মারিয়া মাহফুজ

পিসিমন্ডল, পাইকগাছা : সৃজনশীল ছবির আঁকার জন্য কানাডার ‘টিন এন্টারপ্রেনর নেটওয়ার্ক’ (টেন) পুরস্কার লাভ করেছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত কিশোরী মারিয়া মাহফুজ। মারিয়া মাহফুজ বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট লোনা পানি কেন্দ্র পাইকগাছার সাবেক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহফুজুর শাহ’র মেয়ে। ১৪ বছর বয়সী মারিয়া মাহফুজ নিজেও একজন স্বশিক্ষিত চিত্রশিল্পী। গত ৫ মে কানাডার কোর্টনি এর লুইস সেন্টারে এলআইএনসি ইউথ সেন্টার আয়োজিত বাৎসরিক এক মেলায় মারিয়া ‘টিন এন্টারপ্রেনর নেটওয়ার্ক’ (টেন) পুরস্কার লাভ করে বলে তার পরিবার নিশ্চিত করেছে।

তৃতীয়বারের মতো আয়োজিত মেলাটিতে ‘সবচেয়ে বেশি সৃজনশীল’ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়ে মারিয়া জিতে নেন ৩ হাজার কানাডিয়ান ডলার। প্রতিবছর এলআইএনসি ইউথ সেন্টার মেধাবী বা সম্ভাবনাময় কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে এ শিল্প মেলার আয়োজন করে থাকে। মারিয়া নিজে ‘মারিয়াস অনলাইন শপ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। পুরস্কার পাওয়ার পর বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত কিশোরী মারিয়া তার প্রতিক্রিয়ায় বলে, আমি কখনোই ভাবিনি এই পুরস্কার পাবো। 

আমি খুব খুশি। এটি আমাকে ব্যবসা সম্পর্কে অনেক কিছু নতুন করে শেখাবে। এটি আমার ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে আরও বড় করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে। আমি এ ধরনের শিল্প মেলায় আরও অংশ নিতে ইচ্ছুক, পাশাপাশি পেইন্টিংয়ে আরও ভালো করতে চাই।

মারিয়ার বাবা মাহফুজুর শাহ কানাডার কোর্টনি-র এক্সেল ক্যারিয়ার কলেজের ইনস্ট্রাকটর হিসেবে রয়েছেন। তার মা রুমানা শারমিন বিন্দু খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়াল মার্টে কাজ করার পাশাপাশি বাংলাদেশি খাবারের ক্যাটারিং সার্ভিস ‘বিন্দু-বাংলাদেশি কুসন’ চালান। মারিয়ার চার বছর বয়সী একটি ছোট ভাই রয়েছে। শিশুকালেই মারিয়া বাবা-মায়ের সাথে বাংলাদেশ ছাড়ে। তার শৈশবের দশবছর কেটেছে জাপান, মালয়েশিয়া এবং চীনে। পেইন্টিং ছাড়াও লেখালেখি মারিয়ার অন্যতম নেশা। এদিকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত হিসাবে কানাডার ‘টিন এন্টারপ্রেনর নেটওয়ার্ক’ (টেন) পুরস্কার লাভ করায় কিশোরী মারিয়াকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন লোনাপানি কেন্দ্র পাইকগাছার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

পাঠকের মন্তব্য