পাইকগাছা পৌরসভার শিববাটী সড়কের বেহাল অবস্থা; সংস্কারেরর দাবি

পাইকগাছা পৌরসভার শিববাটী সড়কের বেহাল অবস্থা; সংস্কারেরর দাবি

পাইকগাছা পৌরসভার শিববাটী সড়কের বেহাল অবস্থা; সংস্কারেরর দাবি

পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, পাইকগাছা পৌরসভা : পাইকগাছা পৌর সদরের জন গুরুত্বপূর্ণ শিববাটী সড়ক দীর্ঘদিন জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়কের কিছুটা সংস্কার করা হলেও আড়াই কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বাকি রাস্তা কাঁচা - পাকা ফলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি ) পাচ্ছে সর্বসাধারণ। বর্ষা মৌসুমের আগেই সড়ক সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন পৌরবাসী।

সূত্রমতে, পৌর বাজার থেকে শিববাটী ব্রীজ পর্যন্ত সড়ক ও জনপদ বিভাগের পরিত্যাক্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। সড়কটি এক সময় পাইকগাছা-কয়রা রুট হিসাবে ব্যবহার হতো। এখন ভারী কোন যানবাহন চলাচল না করলেও পাইকগাছা-কয়রার রুটসহ এটি পৌরসভার অভ্যন্তরীন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। সড়কটি সড়ক ও জনপদ বিভাগ পরিত্যাক্ত করার পর দেখভালের তেমন কেউ নাই। পৌর অভ্যন্তরে হওয়ায় পৌর কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করলেও উদ্যোগটি কিছুপথ যাওয়ারপর থমকে যায়। থানা হতে পুরাতন গোডাউন পর্যন্ত কোন রকমে সংস্কার করলেও সড়কের বাকী অংশ সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই। ফলে সড়কের ছাল-চামরা উঠে গিয়ে জরাজীর্ণ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়া শিববাটি ব্রীজের নীচ থেকে গুচ্ছ গ্রাম পর্যন্ত রাস্তার ও বেহাল অবস্হা, কিছুদূর যে ইটের ছলিং করা হয়েছিল তাহা ফাঁকে ফাঁকে উঠে গেছে বাকি রাস্তা কাঁচা মাটির।তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় - বর্ষা মৌসুমে গুচ্ছ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কেহ অসুস্হ হলে,ছেলে মেয়েদের স্কূলে যাওয়া- আসা সহ বিভিন্ন কষ্টের শেষ নেই।

সড়কের এমন করুন অবস্থায় পরিণত হয়েছে যে ইঞ্জিন ভ্যানেও চড়তে গিয়ে চরম ভোগান্তি পাচ্ছেন সর্বসাধারণ। গৃহবধু মুক্তা জানান, সোমবার উপজেলা সদরে ঈদের কেনাকাটা করতে যায়। শিববাটী ব্রীজ থেকে নেমে ভ্যান যোগে পৌর সদর পর্যন্ত যেতে যে কষ্ট হয়েছে ২০ কিলোমিটার সড়ক চলতে গিয়ে অতটাই কষ্ট হয়নি। ভ্যান চালক কুন্টে জানান, শিববাটী সড়কের অবস্থা এতটাই বেহাল যে প্রতিদিন যা আয় করি তার অর্ধেক খরচ করতে হয় ভ্যান মেরামত করার জন্য। পৌরসভার প্যানেল মেয়র এসএম এমদাদুল হক জানান, গুরুত্বপূর্ণ নগর উন্নয়ন অবকাঠামো প্রকল্পে শিববাটী সড়কটি অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। আশা করছি ঈদের পরে সড়কটি টেন্ডারে যাবে। সচেতন এলাকাবাসীর দাবী বর্ষা মৌসুমের আগেই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি যত দ্রুত সম্ভব সংস্কার করা হোক।

পাঠকের মন্তব্য