খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ স্থানান্তর, নতুন ষড়যন্ত্র 

ব্যারিস্টার ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ

ব্যারিস্টার ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জের নতুন কারাগারে স্থানান্তরের উদ্যোগকে 'সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র' বলে অভিহিত করেছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।  

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আজ (মঙ্গলবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত মানববন্ধনে সাবেক এ আইনমন্ত্রী বলেন, কারাগারের ভেতরে আদালত স্থাপন সংবিধান পরিপন্থী।

মওদুদ আহমদ আরো বলেন, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আমাদের আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে হবে এবং তার সাথে সাথে আমাদেরকে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হবে। এদিকে, বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার বিচারে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর আদালত স্থানান্তর সংক্রান্ত গত ১২ মে’র প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আজ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী কায়সার কামাল এ নোটিশ প্রেরণ করেন। পরে নোটিশের বিষয়ে কায়সার কামাল বলেন, "গত ১২ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপন অনুসারে খালেদা জিয়ার মামলা শুনানির জন্য পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালত (বিশেষ জজ আদালত-৯) স্থানান্তর করে কেরানীগঞ্জে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই প্রজ্ঞাপন খালেদা জিয়া ও আমরা বেআইনী বলে মনে করি। কারণ, সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদের স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যে কোন বিচার হতে হবে উন্মুক্তভাবে। কারাগারের একটি কক্ষে উন্মুক্তভাবে বিচার হতে পারে না। ফলে এই প্রজ্ঞাপন সংবিধানবিরোধী।"

একইসঙ্গে কোথায় কোথায় কারাগার স্থানান্তরিত হতে পারে তা ফৌজদারী কার্যবিধি আইনে দেয়া আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ফৌজদারী কার্যবিধি আইনে কোথাও উল্লেখ নেই যে, কারাগারের মধ্যে আদালত স্থাপন হতে পারে। সুতরাং সংবিধান ও ফৌজদারী আইনের বিরুদ্ধে সরকার অবস্থান নিয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য