লম্বা ও অভিজ্ঞ ব্যাটিং লাইন আপ টাইগারদের শক্তি

সাকিব-তামিম-মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ

সাকিব-তামিম-মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ

লম্বা ও অভিজ্ঞ ব্যাটিং লাইন আপ টাইগারদের শক্তি। তামিম, সাকিব, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ ব্যাটিংয়ের প্রাণ। চার সিনিয়রের ওপর চাপ বেশি, তাদের দিকে তাকিয়ে ম্যানেজমেন্ট। তবে বিশ্বকাপে সাফল্যের জন্য তরুণদেরও এগিয়ে আসতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সৌম্য-মিঠুন-সাব্বিররা কতটা দিতে পারেন, তার অপেক্ষা। 

২০১৫ বিশ্বকাপ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সেরা। ডাউন আন্ডারে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে ৯৬ বাদ দিলে সাদা-মাটা তামিম। সুইং-বাউন্সে ধুঁকেছেন, বাজে আউটে হয়েছিলেন প্রশ্নবিদ্ধ। কিন্তু পরের ৪ বছরে তামিম শুধু নিজেকেই ছাড়িয়েছেন বারবার। 

তাই নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপে ভিন্ন তামিমকে দেখার অপেক্ষা। আসর ইংল্যান্ডে বলে, প্রত্যাশাও বেশি। ইংলিশ কন্ডিশনে এক সেঞ্চুরি-দুই ফিফটিতে ৭ ম্যাচে তামিমের গড় পঞ্চাশের ওপরে। গেল চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও ছিলেন দলের সেরা ব্যাটসম্যান।

ব্যাটিং স্বর্গে হাইস্কোরিং ম্যাচের চাপ, টপ অর্ডারে তামিম বড় ভরসা। সময়ের সাথে পরিণত এই বাঁ হাতি দায়িত্ব নিতে শিখেছেন, ওর অভিজ্ঞতা বিশ্বমঞ্চে টাইগারদের বড় শক্তি। তিনে খেলতে চান সাকিব, গেল ক'বছরে টপ অর্ডারে খেলে মান রেখেছেন। চিন্তার কারণ, ইংল্যান্ডে সাকিবের অতীত পরিসংখ্যান। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির এক সেঞ্চুরি বাদ দিলে ওখানে ৬ ম্যাচে মোটে ৮১ রান। 

সাকিবের চ্যালেঞ্জ, পরিস্থিতি বুঝে মাথা ঠান্ডা রেখে ইনিংস লম্বা করা। যতক্ষন সাকিব ক্রিজে থাকবেন, ম্যাচে থাকবে বাংলাদেশ, তৈরি হবে জয়ের সম্ভাবনা।
টাইগারদের ব্যাটিং স্তম্ভ, মুশফিক মিডল অর্ডারের প্রাণ। টেকনিক-টেম্পারমেন্টে অনন্য, পরিশ্রম-একাগ্রতায় পৌঁছেছেন অন্য উচ্চতায়। খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তোলার ক্ষমতা ওকে আলাদা অবস্থানে রাখছে। 

২০১৫ থেকে ১৮, এই সময়ে দারুন ধারাবাহিক মুশফিক। ক্যারিয়ারের ছয় সেঞ্চুরির চারটা এই সময়ে, গড় ৩৮ এর কাছে। ইংল্যান্ডেও মুশফিক খারাপ করেননি, গেল চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ছিলেন রঙিন। 

আনসাং হিরো মাহমুদুল্লাহর কাঁধে ফিনিশিংয়ের দায়িত্ব। আইসিসির ওয়ানডে ইভেন্টে নজরটানা পারফর্মেন্স ওকে রাখবে লাইমলাইটে। সবশেষ বিশ্বকাপ-চ্যাম্পিয়নস ট্রফি দুটোতেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। এবারও ম্যাচ উইনিং নকের অপেক্ষা।

সেমির স্বপ্ন পূরণে সিনিয়র চারের সঙ্গে তরুণদের তাল-মিল দরকার। ইংলিশ কন্ডিশন সৌম্যের সঙ্গে নাকি মানানসই। পেইস-বাউন্সে ওর আগ্রসন প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে পারে। বড় মঞ্চে, ধারাবাহিকতার চ্যালেঞ্জে জিততে হবে সৌম্যকে। 

ফোকাস থাকবে সাব্বির-মিঠুনের দিকে। বিশ্বকাপ-চ্যাম্পিয়নস ট্রফির অভিজ্ঞতা আছে সাব্বিরের, আক্রমণাত্মক মনোভাবে দ্রুত রান তোলার কাজটা করতে হবে। মিঠুনের প্রথম বিশ্বকাপ, দারুন কিছুতে স্মরণীয় করতে চাইবেন অভিষেক।

পাঠকের মন্তব্য