ভুয়ো খবর কীভাবে আটকায় ফেসবুক ?

ভুয়ো খবর কীভাবে আটকায় ফেসবুক ?

ভুয়ো খবর কীভাবে আটকায় ফেসবুক ?

অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিকে ফায়দা তুলতে এখন অন্যতম অস্ত্র ভুয়ো খবর। এইসব ভুয়ো খবর আটকাতে নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে ফেসবুক। সম্প্রতি নির্বাচনের সময় বিপক্ষ দলকে ঘায়েল করলে এই ভুয়ো খবর হয়ে উঠেছিল অন্যতম হাতিয়ার। এটা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত নিন্দনীয় ব্যাপার। ভুয়ো খবর মানুষের জন্যও যেমন খারাপ, ফেসবুকের জন্যও খারাপ। সেই কারণেই ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়া থেকে আটকানোর জন্য নতুন স্ট্র্যাটেজি নিয়েছে ফেসবুক। পাশাপাশি উচ্চমানের সাংবাদিকতা ও খবরকে ফেসবুক প্রোমোট করছে।

ফেসবুকে যাতে ভুল তথ্য প্রকাশিত না হয়, তার জন্য তিনটি স্ট্র্যাটেজি নেওয়া হয়েছে এই সোশ্যাল সাইটের তরফে- প্রথমত, কোনও কমিউনিটি স্ট্র্যান্ডার্ড বা বিজ্ঞাপনের পলিসির ক্ষতি করে এমন কোনও অ্যাকাউন্ট বা বিষয়বস্তু রাখবে না ফেসবুক। দ্বিতীয়ত, ‘ক্লিকবিট’-এর মতো বিষয়বস্তু, যার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে সেগুলি ও ভুয়ো খবরের প্রচার কমিয়ে আনবে। তৃতীয়ত, যেসব পোস্ট দর্শক দেখছে, তাদের কাছে ভুয়ো খবর নিয়ে আরও তথ্য দিতে হবে যাতে ভুয়ো খবরে পাঠক বিভ্রান্ত না হয়।

এর ফলে ভুয়ো খবর আটকানো যাবে। ভুয়ো খবর পর্যন্ত পৌঁছতে পারবেন না ইউজাররা। এর ফলে মানুষ সচেতন থাকবে। যদি ইউজাররা ভুয়ো খবর দেখে তাতে ক্লিক করে, তাহলে যারা ভুয়ো খবর ছড়িয়েছে (স্প্যামার) তারা বিজ্ঞাপন থেকে আয় করবে। যদি এইসব ব্যক্তিরা ভুয়ো খবরের মাধ্যমে ইউজারদের তাদের সাইটে ঢুকিয়ে নিতে পারে, তাতে তো তাদেরই লাভ। এই ঘটনা যাতে না না ঘটে তার জন্য ভুয়ো খবরের ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করে দেওয়া হবে। তাই ফেসবুক স্প্যামারদের সাধারণ কৌশলগুলিগুলি বোঝার চেষ্টা করছে। এছাড়া নিউজ ফিডে এইসব ভুয়ো খবর যাতে কম দেওয়া হয়, তার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

পাঠকের মন্তব্য