বিশ্বকাপ : স্বাগতিক ইংল্যান্ড; প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামছে ইংল্যান্ড; প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামছে ইংল্যান্ড; প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা

পর্দা উঠে গেছে আইসিসি দ্বাদশ বিশ্বকাপের। অপেক্ষা ময়দানী লড়াইয়ের। তাতে প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড; প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা।

বুধবার বাকিংহাম প্যালেসের সামনে লন্ডন মলে আয়োজিত হয় বিশ্বকাপ উদ্বোধনীর বর্ণিল অনুষ্ঠান। তাতে উপস্থিত ছিলেন অংশগ্রহণকারী দশ দলের অধিনায়ক। লন্ডনের কেনিংটন ওভালে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বিকেল সাড়ে ৩টায় ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্য দিয়ে শুরু হবে শিরোপা জয়ের মিশন।

২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড মধ্যকার বিশ্বকাপের পর থেকে বদলে গেছে ইংল্যান্ড দলের খোল নলচে। অসাধারণ ফর্মে আছে দলটি। ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দল তারা। এ সময়ে দুইবার ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড গড়েছে দলটি। গত বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নটিংহ্যামে ৬ উইকেটে করা ইংল্যান্ডের ৪৮১ রানের ইনিংসটিই এখন ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর।

ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের এ পুনরুত্থানের মূল ভিত্তি গড়ে দিয়েছে ব্যাটসম্যানদের ধারাবাহিকতা। জেসন রয়, জনি বেয়ারস্টো, জো রুট, ইয়ন মরগান ও জস বাটলারকে নিয়ে সাজানো ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার এই মুহূর্তে বিশ্বের যেকোন বোলারের জন্য ত্রাস।

এদিকে প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য বিশ্বকাপের মঞ্চটা কোন সময়ই আশার আলো দেখাতে পারেনি। বারবার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ছন্দ পতনে ‘চোকার’ শব্দটি লেপ্টে গেছে দলটির গায়ে। গত চারটি আসরে সেমি-ফাইনালেই থেমে গেছে প্রোটিয়াদের স্বপ্ন। এবারো দলটির লক্ষ্য থাকবে ব্যর্থতার সেই অপবাদ ঘোচানো।

উদ্বোধনী ম্যাচ নিয়ে কোনো চাপ অনুভব করছেন না দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ ওটিস গিবসন। তার মতে, স্বাগতিক বলে ইংল্যান্ডই চাপে থাকবে।

“স্বাগতিক দল ছাড়াও ইংল্যান্ড বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর ওয়ানডে দল। তাদের বিপক্ষে বিশ্বকাপ শুরু করাটা দারুন একটি বিষয়। কারণ এতে প্রমাণ হবে সত্যিকার অর্থেই আমাদের অবস্থানটা কী।”

উদ্বোধনী ম্যাচে অবশ্য পুরো শক্তির বোলিং লাইনআপ পাচ্ছে না দক্ষিণ আফ্রিকা। কাঁধের চোট কাটিয়ে উঠতে পারেননি অভিজ্ঞ পেসার ডেল স্টেইন। যদিও সম্প্রতি তাকে ছাড়াই বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে প্রোটিয়ারা। স্টেইনের অনুপস্থিতিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকান পেস আক্রমণে মূল দায়িত্ব পালন করবেন তরুণ কাগিসো রাবাদা।

ইংল্যান্ড দল : ইয়ন মরগান (অধিনায়ক), মঈন আলী, জনি বেয়ারস্টো, জস বাটলার, টম কারান, লিয়াম প্লানঙ্কেট, আদিল রশিদ, জো রুট, জেসন রয়, বেন স্টোকস, ডেভিড উইলি, ক্রিস ওকস, মার্ক উড, জেমস ভিন্স, জোফরা আর্চার।

দক্ষিণ আফ্রিকা : ফাফ ডু প্লেসি (অধিনায়ক), হাশিম আমলা, কুইন্টন ডি কক, জেপি ডুমিনি, ইমরান তাহির, আইডেন মার্করাম, ডেভিড মিলার, লুঙ্গি এনগিডি, ক্রিস মরিস, আন্দিও ফেলুকুয়াও, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, কাগিসো রাবাদা, তাবরিজ শামসি, ডেল স্টেইন, রাসি ভ্যান ডার ডুসেন।

পাঠকের মন্তব্য