হত্যার একবছর পর শ্বশুর বাড়িতেই মিলল যুবকের মৃতদেহ

হত্যার একবছর পর শ্বশুর বাড়িতেই মিলল যুবকের মৃতদেহ

হত্যার একবছর পর শ্বশুর বাড়িতেই মিলল যুবকের মৃতদেহ

হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক বছর পর বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চরকাঠি গ্রামে শশুরবাড়ি থেকে আজিম নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে স্ত্রীর কিশোর ভাইসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহতের স্ত্রীকেও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, নিহতের স্ত্রী রুবিনা বেগমের ভাই উপজেলার চরকাঠি গ্রামের মৃত মোহাম্মাদ তালুকদারের ছেলে মো. সালাউদ্দিন তালুকদার (১৪), পাবনা জেলার মিনদাহ গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মো. বিপ্লব মোল্লা (২৫) ও তার স্ত্রী রিনা বেগম (২০)।

রবিবার (২ মে) বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজালের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম ও এসআই মোস্তাফিজুর রহমানসহ পুলিশ ফোর্স কৌশলে অভিযান চালিয়ে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার শ্রীপুর বাজার থেকে মো. বিপ্লব মোল্লা ও তার স্ত্রী রিনা বেগমকে আটক করে। এছাড়া জেলার কচুয়া থানার সাইনবোর্ড বাজার থেকে মো. সালাউদ্দিনকে আটক করে।

এর আগে গত ২৯ মে কচুয়া উপজেলার চরকাঠি গ্রামে গ্রামের মৃত মোহাম্মাদ তালুকদারের ঘরের পাশ থেকে তার জামাই মো. আজিমের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরের দিন কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক মো. আবুল হাসান ওই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত মো. আজিম সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর উপজেলার কাউকান্দি গ্রামের মো. মনজুল হকের ছেলে। মৃতদেহটি গলে-পচে হাড় ও চুল অবশিষ্ট রয়েছে। সেগুলোসহ নিহত আজিমের ব্যবহৃত একটি প্যান্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র ও একটি কালো রঙয়ের চার্জার লাইট উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৩ মে) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেসব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় এসব তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, প্রায় এক বছর আগে চরকাঠি গ্রামের মোহাম্মাদ তালুকদারের মেয়ে রুবিনা বেগম (২২) তার জামাই আজিমকে মেহগুনি গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে এবং নাখ মুখ চেপে হত্যা করে। পরে বিপ্লব ও রিনা বেগমের সহায়তায় মরদেহ ঘরের পাশে মাটিচাপা দিয়ে রাখে।

পাঠকের মন্তব্য