তিনদিনের সফরে লন্ডনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

সোমবার লন্ডন পৌঁছএছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

সোমবার লন্ডন পৌঁছএছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

তিনদিনের সফরে সোমবার লন্ডন পৌঁছালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে নিয়ে স্টেনস্টেড এয়ারপোর্টে অবতরণ করে ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’৷

ব্রেক্সিট নিয়ে রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে ট্রাম্পের এই ব্রিটেন সফর যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ৷ আগামী শুক্রবার বা ৭ জুন কনজারভেটিভ পার্টির নেত্রী হিসেবে পদত্যাগ করবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে৷ ছাড়তে পারেন প্রধানমন্ত্রীর পদটিও৷ তার আগেই মে-র সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷ তবে ট্রাম্প-মে আলোচনায় ব্রেক্সিট জট খোলার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে বিশ্লেষকদের একাংশ৷ ন্যাটোর গুরুত্বপুর্ণ সদস্য হিসেবে এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমেরিকার সঙ্গে রয়েছে ব্রিটেন৷ কিন্তু ডেভিড ক্যামেরন ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মে সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে মতবিরোধ হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের৷ রবিবার বিতর্ক বাড়িয়ে চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের পক্ষে মত দেন ট্রাম্প৷ 

একটি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে আলোচনার জন্য কট্টর ব্রেক্সিটপন্থী নেতা নাইজেল ফারাজকে পাঠানো উচিত। আর সমঝোতা না হলে চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের মাধ্যমেই ইইউ থেকে বেরিয়ে আসা উচিত ব্রিটেনের।”

এদিকে, বিমানবন্দরে নেমেই লন্ডনের মেয়র সাদিক খানের বিরুদ্ধে টুইটারে তোপ দাগেন ট্রাম্প৷ টুইট করে তিনি বলেন, “মেয়র হিসেবে ব্যর্থ সাদিক৷ আমার দিকে নজর না দিয়ে তাঁর উচিত শহরে ঘটা অপরাধের উপর নজর দেওয়া৷ সাদিক অত্যন্ত বোকা ও অপদার্থ৷” সব মিলিয়ে শহরে নেমেই বিতর্ক উসকে দিয়েছেন ট্রাম্প৷ উল্লেখ্য, ৩৭% ভোট নিয়ে ব্রিটেনে লেবার ও কনজারভেটিভদের পিছনে ফেলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচনে এগিয়ে ছিলেন ব্রেক্সিট পার্টির নাইজেল ফারাজ। গোটা নির্বাচনের ফলে রমরমা ছিল দক্ষিণপন্থীদের। তারপরই ফারাজেকে ট্রাম্পের সমর্থন নয়া সমীকরণ তৈরি করল৷   

পাঠকের মন্তব্য