দেশের ৯৩ শতাংশ ওষুধই মেয়াদোত্তীর্ণ ! ভয়ঙ্কর তথ্য 

দেশের ৯৩ শতাংশ ওষুধই মেয়াদোত্তীর্ণ ! ভয়ঙ্কর তথ্য 

দেশের ৯৩ শতাংশ ওষুধই মেয়াদোত্তীর্ণ ! ভয়ঙ্কর তথ্য 

দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা বিশেষ ভাল নয়৷ পর্যাপ্ত পরিকাঠামো নেই অনেক জায়গাতেই৷ তাই অধিকাংশ বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য প্রতিবেশী ভারতের উপর নির্ভর করেন৷ সেখানে গিয়ে চিকিৎসা করান৷ তবে এবার বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রের যে দিকটি উঠে এল, তাতে সেদেশে চিকিৎসা করানোই সর্বনাশা হয়ে উঠবে৷ রাজধানী ঢাকার ৯৩ শতাংশ দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রয়েছে৷ সেগুলোই বিক্রি হয়৷ এই অভিযোগ তুলেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ দপ্তর৷ 

‘বিশ্ব নিরাপদ খাদ্য দিবস’-এর এক অনুষ্ঠানে এই মারাত্মক অভিযোগ তুললেন দপ্তরের উপ-পরিচালক মনজুর মহম্মদ শাহরিয়ার৷ তিনি বলেন, নিয়মিত বাজার তদারকির গত ছ’মাসের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ঢাকা শহরের প্রায় ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ভোক্তা আইনের বিভিন্ন ধারায় এ ধরণের অনেক প্রতিষ্ঠানকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷ এমনকী অনেক প্রতিষ্ঠান সিল করে দেওয়াও হয়েছে। এসব সত্ত্বেও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা এবং বিক্রির প্রবণতা রোখা যাচ্ছে না৷ এত নজরদারি চলছে, তবু স্বাস্থ্য অধিকর্তাদের কপালের ভাঁজ মুছছে না৷

এই প্রতারণা রোধে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সারা দেশে তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সদস্যরা কখনও ক্রেতা সেজে, আবার কখনও সারপ্রাইজ ভিজিটের মাধ্যমে ফার্মেসিগুলোতে নজরদারি জারি রেখেছেন। তাঁদের আশঙ্কা, এর দ্রুত প্রতিরোধ না পারলে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার উপর থেকে দেশবাসীর আস্থা চলে যাবে৷ ৭ জুন ‘বিশ্ব নিরাপদ খাদ্য দিবসে’ দেশের সুপার মার্কেটগুলোতে সপ্তাহব্যাপী ‘ভোক্তা সেবা সপ্তাহ’ পালিত হয়। এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে এই অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি নিয়াজ রহিম, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ছাড়াও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও বিভিন্ন সুপার মার্কেটের কর্ণধাররা উপস্থিত ছিলেন। 

পাঠকের মন্তব্য