নৌকার প্রার্থী হ্যাপিকে পরাজিত করতে মরিয়া আওয়ামী লীগ !

যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী হ্যাপি

যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী হ্যাপি

হায়দার আলী : নৌকার প্রার্থী হ্যাপিকে পরাজিত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে কিশোরগঞ্জের প্রভাবশালী কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতা। ড্রামভর্তি তেল না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীদের গোপনে নানাভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে পরাজিত করার মিশন নিয়ে যেন নেমেছেন। বিদ্রোহী প্রার্থীদের পক্ষে গোপনে গোপনে কাজ করছেন।

জীবন বাজি রেখে হ্যাপির বাবা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। আগাগোড়া আওয়ামী পরিবার থেকে উঠে আসা ইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ করে এখন যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী হ্যাপি। হেফাজত আর শিবিরের তান্ডবের সময় আওয়ামী লীগের কঠিন সময়ে দেখেছি রাজপথে শক্ত অবস্থান নিতে। আর তার ছোট ভাই এমিল জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের রাজনীতি করতে গিয়ে সারাজীবনের জন্য পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ হ্যাপীর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার দেখেই বঙ্গবন্ধুর কন্যা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা কটিয়াদি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেন। 

প্রতীক পাওয়ার পর উপজেলার তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা যখন ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠ কাজ করছেন। ঠিক ওই সময় নৌকার প্রার্থী হ্যাপিকে পরাজিত করার মিশন নিয়ে গোপনে কাজ করে যাচ্ছেন উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের গুটিকয়েক নেতা। আওয়ামী লীগের এই অংশটি যেন হ্যাপিকে পরাজিত করতে নয়- খোদ বঙ্গবন্ধুর কন্যার প্রার্থীকে পরাজিত করতেই মরিয়া হয়ে উঠেছেন তারা। টাকার কাছে ওইসব নেতারা সব কিছুই বিকিয়ে দিতেও কার্পণ্য করে না। তৃণমূলের নেতা কর্মীরা এই ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পাঠকের মন্তব্য