গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ, দুই যুবক গ্রেফতার

গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ, দুই যুবক গ্রেফতার

গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ, দুই যুবক গ্রেফতার

বাংলাদেশের মাটিতে ফের গনধর্ষনের ঘটনা। ৪৫ বছর বয়সী এক গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ। আর মারাত্মক এই অভিযোগে এখনও পর্যন্ত দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার সকালে উপজেলায় উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়নের কুচিয়ামারা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তবে চাঞ্চল্যকর এই ধর্ষনের ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায়। ইতিমধ্যে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নির্জাতিতা মহিলার ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে।

স্থানীয় রায়পুর থানার পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে, শনিবার রাতে কুচিয়ামারা খাল পাড় এলাকার ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়। মহিলার স্বামী ও ছেলে ঢাকায় থাকেন। তিনি বাড়িতে থাকেন একাই থাকতেন। শনিবার রাত ১১টার দিকে তিনি তার ঘরে একাই শুয়ে ছিলেন। আর সেই সময় স্থানীয় চার যুবক কৌশলে তার ঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢোকে। পরে মুখ চেপে ধরে চারজন মিলে তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুজনকে চিনে ফেলেন মহিলা। আর সেটাই কাল হয় অভিযুক্তদের।

পুলিশের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় অজ্ঞাত পরিচয় দুইজনসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে ধৃত বাচ্ছু ও মাসুদ প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধষর্ণের কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশের তরফে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে। ঘটনাটি যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে বলেও পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া দুই অভিযুক্ত। তাঁদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। ধৃতদের জেরা করে খোঁজ করা হচ্ছে বাকি দুজনের।

প্রসঙ্গত, গোটা দেশেই নারী সুরক্ষা কার্যত প্রশ্নের মুখে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে প্রত্যেকদিনই ধর্ষণ, নির্জাতনের মতো ঘটনার সাক্ষী থাকতে হয় মহিলাদের। এই বিষয়ে সরকার কড়া পদক্ষেপ নিলেও অনেক ক্ষেত্রেই আইনের ফাঁকে রেহাই পেয়ে যায় অভিযুক্তরা। তবে সেই সংখ্যাটা অনেক ক্ষেত্রে কমে গিয়েছে। কারণ নতুন করে ফের তৈরি হচ্ছে আইন। কিন্তু এরপরেও প্রশ্নের মুখে মহিলা সুরক্ষা।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মাটিতে ক্রমশ বাড়ছে নারী নির্জাতনের মতো ঘটনা। এই ব্যাপারে সরকারের তরফে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও কমা তো দূর অস্ত বরং বাড়ছে। আর যা কিনা যথেষ্ট চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে প্রশাসনের কাছে। যদিও সে দেশে একাধিক ইনজিও-মহিলা সংস্থা নারী সুরক্ষা নিয়ে কাজ করছে। মানুষকে বোঝানোর কাজ করছে। তাঁদের একাংশের মতে, সমস্যার সমাধান হবে। তবে সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পাঠকের মন্তব্য