মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণে হাইকোর্টের রায় বহাল

মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণে হাইকোর্টের রায় বহাল

মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণে হাইকোর্টের রায় বহাল

মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানিতে কোনো আদেশ দেননি (নো অর্ডার) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণে হাইকোর্টের রায়ই বহাল থাকছে, যেখানে বলা হয়েছে- মুক্তিযোদ্ধাদের বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।

আজ রবিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণ করে সরকারের জারি করা তিনটি গেজেট ও পরিপত্র অবৈধ এবং বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের ওপর নো অর্ডার আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজকের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন।

আইনজীবীরা জানান, ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর ‘মুক্তিযোদ্ধা এর সংজ্ঞা ও বয়স নির্ধারণ’ করে গেজেট জারি করা হয়।

ওই গেজেটে বলা হয়, ‘মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তারিখে ন্যূনতম ১৩ বছর হতে হবে। এরপর ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি একটা পরিপত্রের মাধ্যমে সে গেজেট সংশোধন করে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১২ বছর ৬ মাস। ওই দুটি গেজেটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে মুক্তিযোদ্ধার হাইকোর্টে পৃথক পৃথক রিট দায়ের করেন।

১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স ন্যূনতম ১২ বছর ৬ মাস নির্ধারণ করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত পরিপত্র কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তারিখে ন্যূনতম ১৩ বছর হতে হবে-সরকারের জারি করা এমন গেজেট কেন অবৈধ ও বেআইনি হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

পাঠকের মন্তব্য