বি-টিভি ও বেতারের অনুষ্ঠান সম্প্রচার চুক্তি স্বাক্ষরিত

বি-টিভি ও বেতারের অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত চুক্তি স্বাক্ষরিত

বি-টিভি ও বেতারের অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত চুক্তি স্বাক্ষরিত

জুলাই মাস থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে দূরদর্শনে। সেই সঙ্গে শোনা যাবে বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠানও। রবিবার ঢাকায় সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রকের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদিক বৈঠকে একথা জানান তথ্যমন্ত্রী ডঃ হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, গত ৭ মে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও প্রসার ভারতীর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সম্প্রতি এতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে ভারত সরকার। গত ২৫ মে বি-টিভির একটি কারিগরি দল ৩ দিনের সফরে নয়াদিল্লিও এসেছিল। দূরদর্শনে সম্প্রচার শুরু হলে বেতারে আরও কিছুটা সময় লাগবে। 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, স্বাধীনতা যুদ্ধে সবথেকে বেশি সাহায্য করেছিল ভারত। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেসময় ভারত যদি সহযোগিতা না করত তাহলে আরও কঠিন হত বাংলাদেশের লড়াই। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি বিষয়েই একে অপরের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তারা।

রবিবারের এই অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডঃ এ কে আবদুল মোমেন এও বলেন, ‘‘বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক নেতাদের দূরদর্শিতাই দু’দেশের সম্পর্ককে দৃঢ় করেছে। বিষয়টি অন্যদেশের জন্য অনুকরণীয়।’’ ঢাকায় একটি বেসরকারি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি। এপ্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডঃ এ কে আবদুল মোমেন বলেন, “বিদেশনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি আদর্শ। বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক নেতাদের পরিপক্কতা এবং দু’দেশের সম্পর্ক অন্য দেশের জন্য অনুকরণীয়। ভারত-বাংলাদেশ স্থল সীমানা, সমুদ্রসীমা, এমনকী গঙ্গার জল চুক্তি সংক্রান্ত সমস্যা আলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে। দু’দেশের রাজনৈতিক নেতাদের পরিপক্কতা ও দূরদৃষ্টির ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে।”

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডঃ এ কে আবদুল মোমেন আরও বলেন, “দেশকে উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশে রূপান্তরের ক্ষেত্রে আমাদের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ আছে। আসলে যে দেশ উন্নয়ন করে তাদের বহুদিক থেকে বাধা আসে। আমাদের দেশেও আসতে পারে। সেই সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য গণমাধ্যমকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে। আগামী দু’বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি ক্ষেত্রে আরও সাফল্য অর্জন করতে চাই আমরা।”

পাঠকের মন্তব্য