ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দুদকের 

ডিআইজি মিজান

ডিআইজি মিজান

৩ কোটি ৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও ৩ কোটি ২৮ টাকা অবৈধ অর্জনের অভিযোগে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (২৪ জুন) দুদকের একটি নির্ভরশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

মিজানের নামে পাওয়া সম্পদের মধ্যে রয়েছে-  রাজধানীর 'বেইলি রিজ' নামে ভবনের চতুর্থ তলায় ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট, একই ভবনের নিচে কার পার্কিংয়ের স্পেসসহ ৫৫ দশমিক ৫১ অযুতাংশ জমি, কাকরাইলে দুই কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের একটি বাণিজ্যিক ফ্ল্যাট। 

এছাড়া তিন কোটি ৪৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪৬০ টাকা মূল্যের জমি ও দোকানের সন্ধান পেয়েছে দুদক। সিটি ব্যাংক ধানমণ্ডি শাখায় মিজানের অ্যাকাউন্টে ১০ লাখ টাকাসহ বেশকিছু সম্পদ থাকার তথ্য রয়েছে প্রতিবেদনে।

২০১৮ সালে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে এক নারীকে জোর করে বিয়ে করার সংবাদ প্রকাশ হয়। তখন বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। ওই ঘটনায় পুলিশ সদর দফতরসহ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এরপর নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে ডিআইজি মিজানকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।
 
এদিকে, পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপুল অংকের অবৈধ সম্পদের খোঁজ পায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

অনুসন্ধান শেষে সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। ডিআইজি মিজান ছাড়াও তার এক ভাই ও ভাগ্নের নামে করা সম্পদসহ ৪ কোটি ২ লাখ ৮৭ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির তার (মিজান) কাছ থেকে রিপোর্ট পরিবর্তনের জন্য ৪০ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। 

এ ঘটনায় তথ্য পাচারের অভিযোগে এনামুল বাছিরকে বরখাস্ত করে দুদক।  এদিকে, ডিআইজি মিজানকে এখনও কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না- এ মর্মে গত ১৬ জুন জানতে চেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

পাঠকের মন্তব্য