“এরশাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তিনি শঙ্কামুক্ত নন”

“এরশাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তিনি শঙ্কামুক্ত নন”

“এরশাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তিনি শঙ্কামুক্ত নন”

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) লাইফ সাপোর্টে থাকা সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জীবনশঙ্কা কাটেনি।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও এরশাদের ছোট ভাই গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি এ কথা জানান। এর আগে জুমার নামাজ শেষে এরশাদের সুস্থতা কামনা করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জিএম কাদের সাংবাদিকদের বলেন, “সার্বিকভাবে উনার (এরশাদের) অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি শঙ্কামুক্ত নন।”

তিনি বলেন, এরশাদের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকরা কৃত্রিমভাবে তার শ্বাসকষ্ট দূর করেছেন। বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা কৃত্রিমভাবে সমাধান করা হয়েছে।

কাদের বলেন, পার্টি চেয়ারম্যানের শরীর থেকে প্রায় দুই লিটার পানি বের করা হয়েছে আজ। রাতে ডায়ালাইসিস করে রক্তের অপ্রয়োজনীয় অংশ বের করে ফেলা হয়। ‘গত আট ঘণ্টায় আট ব্যাগ রক্ত পুশ করা হয়েছে তার শরীরে। এ ছাড়া গত ১০ দিনে প্রায় ২৮ ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়েছে।’

হাসপাতালে এরশাদকে দেখে আসার কথা জানিয়ে জি এম কাদের বলেন, “গতকালের চেয়ে আজকে তাকে একটু ভালো দেখা গেছে। তবে মনে রাখতে হবে, তার শ্বাস প্রশ্বাসসহ সবকিছু চলছে কৃত্রিমভাবে।”

লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থাতেই শুক্রবার ভোরে এরশাদের ডায়ালাইসিস শুরু হয়। তার জন্য ‘বি পজেটিভ’ রক্ত প্রয়োজন জানিয়ে সকালে নেতাকর্মীদের রক্তা দেওয়ার আহ্বান জানায় জাতীয় পার্টি। শুক্রবার সন্ধ্যায় এরশাদের আরেক দফা ডায়ালাইসিস করা হতে পারে বলে জানান কাদের।

মাইডোলিসপ্লাস্টিক সিনড্রোমে আক্রান্ত ৯০ বছর বয়সী হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে গত ২২ জুন সকালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারপর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ফুসফুস ও কিডনিতে সংক্রমণ ধরা পড়ে।

সাবেক এই রাষ্ট্রপতির সুস্থতা কামনায় সারা দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে জাপা সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে প্রতিটি মসজিদে জুমার নামাজ শেষে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


 

পাঠকের মন্তব্য