ধর্মের আড়ালে সন্ত্রাসের ছোবল, তিউনিসিয়ায় নিষিদ্ধ বোরখা 

তিউনিসিয়ায় নিষিদ্ধ বোরখা 

তিউনিসিয়ায় নিষিদ্ধ বোরখা 

ফের বিতর্কে বোরখা। এবার সার্বজনিক স্থানে এই পোশাক নিষিদ্ধ করল তিউনিসিয়া। অভিযোগ, ধর্মীয় আচরণের নেপথ্যে জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার করা হচ্ছে বোরখা। নিরাপত্তারক্ষীদের চোখে ধুলো দিতে বোরখা পরছে জঙ্গিরা।

জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার এই সংক্রান্ত নির্দেশিকাতে স্বাক্ষর করেছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইউসেফ চাহেদ। অবিলম্বে এই নির্দেশ কার্যকর হবে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানী শহর তিউনিসে জোড়া বিস্ফোরণ ঘটায় ইসলামিক স্টেট। যার পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নয়া নির্দেশিকা অনুসারে সম্পূর্ণ মুখ ঢেকে কোনও সরকারি সদর দপ্তর, প্রশাসনিক কার্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২৭ জুন জোড়া বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিস। ওই হামলায় মৃত্যু হয় ২ জনের। গুরুতর আহত হন আরও অন্তত ৭ জন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট এই জোড়া বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে। সূত্রের খবর, আত্মঘাতী জঙ্গিদের একজন বোরখা পরে ছিল। ফলে এবার সার্বজনিক স্থানে নিরাপত্তার খাতিরে বোরখা নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, বহুদিন ধরেই বোরখার আড়ালে নিরাপত্তারক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে আসছে জঙ্গিরা। সিরিয়া ও ইরাকে বহুবার বোরখা পরে পালাতে গিয়ে ধরা পড়েছে পুরুষ আইএস জঙ্গিরা। কাশ্মীরেও বোরখা পরে একাধিকবার জঙ্গিদের পালানোর খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এর আগে, একই কারণে ইস্টার সানডে হামলার পর সার্বজনিক স্থানে বোরখা পরায় নিষেধজ্ঞা আরোপ করেছিল শ্রীলঙ্কা। যদিও পড়ে তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। এদেশেও বহুবার নিরাপত্তার খাতিরে বোরখা নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে।

পাঠকের মন্তব্য