সুন্দরগঞ্জে নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে অধ্যক্ষকে লাঞ্চিত 

সুন্দরগঞ্জে নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে অধ্যক্ষকে লাঞ্চিত 

সুন্দরগঞ্জে নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে অধ্যক্ষকে লাঞ্চিত 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বোয়ালী দারুল উলুম ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ হারুন-অর-রশিদকে নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে লাঞ্চিত করেছেন কতিপয় সহকর্মী। 

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে মাদরাসার অফিস কক্ষে অধ্যক্ষকে লাঞ্চিত করেন এবতেদায়ী শাখার শিক্ষক দেওয়ান মোস্তাফিজুর রহমান ও তার লোকজন। অধ্যক্ষ জানান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহমুদ হোসেন মন্ডল প্রতিষ্ঠানে আসার কথা ছিল। এরপূর্বে সম্প্রতিক নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলা বিষয়ের প্রভাষক আংগুর মিয়াসহ অন্যান্য শিক্ষক কর্মচারীরা হাজিরায় খাতায় উপস্থিতি স্বাক্ষর করেছিলেন। এরই এক পর্যায়ে একই বিষয়ে নিয়োগ দাবি করে দেওয়ান মোস্তাফিজুর রহমানের জামাই রওশন হাবিব হাজিরা খাতায় জোরপূর্বক উপস্থিতি স্বাক্ষর করার চেষ্টা করেন। তা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে দেওয়ান মোস্তাফিজুর রহমান, তার জামাই রওশন হাবিব, ভাই দেওয়ান সোনা মিয়া, ও জনাব আলীসহ আরো কিছু সংখ্যক লোকজনসহ আমাকে (অধ্যক্ষকে) লাঞ্চিত করে। পরে তিনি কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের সহযোগীতায় প্রাণে বেঁচে যান। এব্যাপারে এবতেদায়ী শিক্ষক দেওয়ান মোস্তাফিজুর জানান, অধ্যক্ষের কথামত তার মেয়ে দিয়ে রওশন হাবিবের বিয়ে দিই। আমার জামাইকে বাংলা বিষয়ের প্রভাষকপদে চাকরি দেয়ার কথা বলে নগত ১৯লাখ টাকা গ্রহণ করেন অধ্যক্ষ। এর পর বিভিন্ন ভাবে আরো ১লাখ টাকা খরচ করান। অপর প্রশ্নের জবাবে স্থানীয়দের উপর দোষ চাপিয়ে নিজে ও তার লোকজন কর্তৃক অধ্যক্ষকে লাঞ্চিত করার ঘটনা এঁরিয়ে যাবার চেষ্টা করলেও পরবর্তীতে বিষয়টি স্বীকার করেন (দেওয়ান মোস্তাফিজুর রহমান)। তিনি আরো জানান, অধ্যক্ষ প্রভাষকপদে আংগুর মিয়া নিয়োগ দিয়েছে বলে তাকে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দেয়ার ব্যাপারে বাধা প্রদান করে জামাই রওশন হাবিবের স্বাক্ষর গ্রহণের দাবি জানালে এঘটনা ঘটে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহমুদ হোসেন মন্ডল জানান, ফাজিল মাদরাসায় যাবার কথা ছিল। কিন্তু, বৃষ্টির কারণে যাওয়া হয়নি। পরবর্তীতে আকাশ ভালো হলে মাদরাসার যাবার প্রাককালে এ অপ্রীতির ঘটনার কথা শুনে আর যাওয়া হয়নি। 

কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ- পুলিশ প্রর্দশক এনায়েদ কবির জানান, মাদরাসার অধ্যক্ষ হারুন-অর রশিদকে উদ্ধার করে তাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য