ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কোনও অপব্যবহার হয়নি 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার দাবি করেছেন, এখন পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কোনও অপব্যবহার হয়নি। আমরা যখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করি, তখন গণমাধ্যম থেকে বলার চেষ্টা করা হয়েছে তাদের বাকস্বাধীনতা হরণ করতে কালো আইন করছি।

বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) আয়োজিত ‘ইন্টারনেটে শিশু যৌন নির্যাতন এবং ইন্টারনেট সেবা দানকারীদের অধিকার ও কর্তব্য’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ দাবি করেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমার ধারণা, তারা এখন নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য এই আইন জরুরি ছিল। আমরা অনুধাবন করছি যে, এ পর্যন্ত একবারের জন্যও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার হয়নি।’ মন্ত্রী জানান, ২০১০ সালে দেশে ৮ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল। এখন তা ৯ কোটির বেশি। মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ৮০ ভাগ মানুষ।

অনুষ্ঠানে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের জন্য আসক ৭টি ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ তুলে ধরে। এর মধ্যে সেবা গ্রহীতার ছবিসহ পরিচয়পত্র ছাড়া সেবা না দেওয়া; যে সেবা গ্রহীতার বাড়িতে শিশু রয়েছে তাকে কনটেন্ট ফিল্টার করার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করা; সংযোগ দেওয়ার আগে সাইবার অপরাধ ও নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২-এর অধীনে অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে তথ্য দেওয়া উল্লেখযোগ্য।

বিটিআরসির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিস ডিভিশনের কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, বিটিআরসি থেকে ৬টি ক্যাটাগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইন্টারনেট সেবা দানকারী সংস্থা (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার) সংখ্যা ১ হাজার ৬৭০টি।

মতবিনিময় সভায় আসকের নির্বাহী পরিচালক শিপা হাফিজ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রেজাউল করিম সিদ্দিকী, সাইবার ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মন্তব্য