গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিতে চরাঞ্চল প্লাবিত : নদী ভাঙ্গণ

গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিতে চরাঞ্চল প্লাবিত : নদী ভাঙ্গণ

গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিতে চরাঞ্চল প্লাবিত : নদী ভাঙ্গণ

গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে গাইবান্ধায় তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, করতোয়া ও ঘাঘটসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যহত রয়েছে। এতে নদী ভাঙ্গণের তীব্রতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এছাড়া, চরাঞ্চলগুলোর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জেলার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার চরাঞ্চলসহ নদী তীরবর্তী নিচু এলাকাসহ চরাঞ্চলগুলোতে পানি উঠতে শুরু করেছে। ফলে বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত ও অস্থায়ী নৌ-ঘাটগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। সুন্দরগঞ্জের বেলকা, তারাপুর, হরিপুর, কাপাসিয়া ও শ্রীপুর, গাইবান্ধা সদরের কামারজানি ও মোল্লারচর, ফুলছড়ির এরেন্ডাবাড়ি, ফজলুপুর, কঞ্চিপাড়া, গজারিয়া, উড়িয়া, ফুলছড়ি ও সাঘাটার ভরতখালি, হলদিয়া, ঘুড়িদহ ইউনিয়নের চরাঞ্চলের নিচু এলাকাগুলো তলিয়ে যাওয়ায় এসব এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটা বিঘ্নিত হচ্ছে। এছাড়া ফসলী ক্ষেত তলিয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকায়। 

এদিকে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে স্রোতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী ভাঙন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে গত দু’সপ্তাহে নদী ভাঙনে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর, কাপাসিয়া, তারাপুর, বেলকা, হরিপুর ও শ্রীপুর ইউনিয়নের আবাদি জমি, রাস্তাসহ শতাধিক বাড়িঘর ও দু’শতাধিক একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। চন্ডিপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ি গ্রামের ঠাকুরডাঙ্গী গ্রামের রাস্তাটি নদীতে বিলীণ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সকল নদ নদীর পানি বাড়ছে। তবে এখনও প্রতিটি নদীর পানি বিপদসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢল এ হারে বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ২/১ দিনের মধ্যে সবগুলো নদ- নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছে এ বিভাগ।

পাঠকের মন্তব্য