কনস্টেবল নিয়োগে ঘুষ, ১০১ পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা

কনস্টেবল নিয়োগে ঘুষ, ১০১ পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা

কনস্টেবল নিয়োগে ঘুষ, ১০১ পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা

কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেয়ার অভিযোগে বিভিন্ন জেলা পুলিশ সুপারের বডিগার্ডসহ ১০১ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। এ নিয়ে ১২ জেলায় মামলা হয়েছে ১৮টি, যার আসামী ৪০জন।

এবার মাত্র একশো টাকায় কনস্টেবল নিয়োগের প্রচারণা চালিয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি উদ্ধারের প্রচারণা ছিল সব জেলাতেই। এজন্য জেলায় জেলায় মাইকিংও করে পুলিশ। কিন্ত নিয়োগের আগে খোদ পুলিশই ঘুষ লেনদেনে জড়িত ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

খোদ পুলিশ সদর দপ্তরের গবেষনা সেলের তথ্য, ঘুষ লেনদেনে জড়িত অন্তত ১০১ পুলিশ। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বদলি করা হয় অন্য জেলায়। এছাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থেকে শুরু করে এসআই, এএসআই এমনকি কর্মরত পুলিশ কনস্টেবলও জড়িয়েছেন এই ঘুষ লেনদেনে। এদের বিরুদ্ধে নেয়া হয়েছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি সোহেল রানা বলেন, আমরা মনিটরিং করে শতাধিক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা চলমান আছে।

আর্থিক লেনদেন ও প্রতারণার অভিযোগে ১২টি জেলায় হয়েছে ১৮ মামলা । কোনো জেলায় হয় একাধিক মামলা। বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ বলেন, আমার জেলায় ৫টি মামলা হয়েছে, আমরা দুই ধরনের অভিযোগ পেয়েছি। কেউ নিয়োগের নামে নিয়োগপ্রার্থীদের প্রতারণা করেছেন। আবার কেউ ঘুষ লেনেদেন করেছেন।

তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া অতীতের চেয়ে শতভাগ স্বচ্ছ, দাবি পুলিশ সদর দপ্তরের। এআইজি সোহেল রানা বলেন, প্রতিজেলার নিয়োগ তদারকির জন্য একজন পুলিশ সুপার মর্যাদার কর্মকর্তা, একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ সদর দপ্তরের গোয়েন্দা টিম কাজ করেছে। ফলে অনিয়মের সুযোগ ছিল না।

সারা দেশে ৯ হাজার ৬৮০ ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয় ২২ জুন। শেষ হয় ৯ জুলাই।

পাঠকের মন্তব্য