চাকরি থেকে বরখাস্ত, ড. ইউনুসকে তলব শ্রম আদালতের

চাকরি থেকে বরখাস্ত, ড. ইউনুসকে তলব শ্রম আদালতের

চাকরি থেকে বরখাস্ত, ড. ইউনুসকে তলব শ্রম আদালতের

নিজের প্রতিষ্ঠানে ইউনিয়ন তৈরি করার জন্য চাকরি থেকে বরখাস্ত মামলায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মহম্মদ ইউনুসকে তলব করল আদালত৷ তাঁর প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের সদ্য চাকরি হারা তিন কর্মীর দায়ের করা পৃথক ফৌজদারি মামলায় আগামী ৮ অক্টোবর তাঁকে ঢাকা শ্রম আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য সমন পাঠানো হয়েছে৷ ইউনুস ছাড়াও একইদিনে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাজনিন সুলতানা এবং ডেপুটি খন্দকার আবু আবেদিনকেও আদালত তলব করেছে৷

‘গ্রামীণ কমিউনিকেশন কর্মচারী ইউনিয়ন’৷ গত ১৬ এপ্রিল এমনই একটি প্রস্তাবিত নামের সংগঠন তৈরি করে তার রেজিস্ট্রেশনের আবেদন করেন ওই প্রতিষ্ঠানের জনাকয়েক কর্মচারী৷ ৯ জুন রেজিস্ট্রেশনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে আদালত৷ এনিয়ে মামলা দায়ের হয়৷ বাদী পক্ষে এমরানুল হক, শাহ আলম, আবদুস সালামদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানে সংগঠন তৈরির জন্য হয়রানিমূলক বদলি, ভয় দেখানো এবং সবশেষে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে দেওয়া হয় তাঁদের৷ ইউনিয়নের কথা জানতে পেরে সংস্থা তাঁদের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করা হয়৷ অভিযোগ, বেআইনিভাবেই তাঁদের প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা দেওয়া হয়৷ কোনও কারণ ছাড়াই টার্মিনেট করেন৷ বিষয়টি লিখিতভাবে শ্রম অধিদপ্তরের ডিরেক্টরকে জানানো হয়৷ তাতেও কাজ না হওয়ায় অনুনয়-বিনয় করলেও, কাজে তাঁদের যোগ দিতে দেওয়া হয়নি৷

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ডক্টর মহম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত সার্টিফায়েড গ্রামীণ ব্যাংকের একমাত্র আইটি প্রতিষ্ঠান এই গ্রামীন কমিউনিকেশনস৷ সারা দেশে আইটি পরিষেবা দেয় গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের কর্মীরা৷ বাংলাদেশে ২৫৬টি তথ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র আইটি পরিষেবা দিয়ে থাকেন হাজার খানেক কর্মী৷ তবে ইউনিয়ন তৈরি নিয়ে খোদ প্রতিষ্ঠাতাকেই আইনি নোটিস পাঠানোয় গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের সম্মান কিছুটা ক্ষুণ্ণ হল বলে মনে করছেন অনেকেই৷

পাঠকের মন্তব্য