খালেদা জিয়ার গ্যাটকো মামলায় চার্জ শুনানি ২২ আগস্ট

খালেদা জিয়ার গ্যাটকো মামলায় চার্জ শুনানি ২২ আগস্ট

খালেদা জিয়ার গ্যাটকো মামলায় চার্জ শুনানি ২২ আগস্ট

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারা হেফাজতে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার কারণে তাকে আজ (সোমবার) গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার চার্জ গঠনের শুনানিতে আদালতে উপস্থিত করাতে পারেনি কারা কর্তৃপক্ষ। এ কারণে ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ দিলজার হোসেন মামলাটির তারিখ আবারো পিছিয়ে ২২ আগস্ট ধার্য করেছেন।

কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনের নবনির্মিত ২ নম্বর ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী এজলাসে আজ এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আজ মামলার চার্জ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী কারা হেফাজতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় কারাকর্তৃপক্ষ তাকে শুনানিতে আনতে পারেনি।

এ অবস্থায় বেগম জিয়ার আইনজীবীরা মামলার চার্জ শুনানি মুলতবি চেয়ে আদালতকে জানান, খালেদা জিয়া অসুস্থ অবস্থায় কারা হেফাজতে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এমতাবস্থায় আসামির অনুপস্থিতিতে চার্জ শুনানি করা আইন সম্মত হবে না।

এর আগে মামলাটিতে গত ৭ ফেব্রুয়ারি দুদকের প্রসিকিউটর মোশারফ হোসেন কাজল সকল আসামির কিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় চার্জগঠনের প্রস্তাব করেন।

মামলাটিতে চার্জশিটভুক্ত ২৪ জন আসামি ছিলেন। তাদের মধ্যে ৭ জন মারা গেছেন। বর্তমানে আসামি ১৭ জন।

অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গ্যাটকোর পরিচালক সৈয়দ তানভির আহমেদ ও সৈয়দ গালিব আহমেদ, সাবেক মন্ত্রী মরহুম কর্নেল আকবর হোসেনের (অব.) স্ত্রী জাহানারা আকবর, ইসমাইল হোসেন সায়মন, একে এম মুসা কাজল, এহসান ইউসুফ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) সাবেক সদস্য একে রশিদ উদ্দিন আহমেদ এবং গ্লোবাল এগ্রোট্রেড প্রাইভেট লি. (গ্যাটকো) এর পরিচালক শাহজাহান এম হাসিব।

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। পরের বছর ১৩ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরপর মামলার দুই আসামি গ্যাটকোর পরিচালক সৈয়দ তানভির আহমেদ ও সৈয়দ গালিব আহমেদ মামলাটি বাতিলের জন্য হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০০৮ সালের ২৯ জুলাই হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করে। ফলে এরপর থেকে ১০ বছর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

সর্বশেষ গত বছর ২৫ নভেম্বর হাইকোর্ট ওই দুই আসামির আবেদন খারিজ করে দেয় এবং ৬ মাসের মধ্যে বিচারিক আদালতকে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

পাঠকের মন্তব্য