বানভাসী মানুষদের বাঁচাতে জাতীয় সংলাপ চায় গণফোরাম 

 গণফোরাম 

গণফোরাম 

দেশের বানভাসী মানুষদের বাঁচাতে জাতীয় সংলাপ চেয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। পাশাপাশি বন্যার বিস্তৃতি ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তিনি।

আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে গণফোরাম সভাপতি ড:কামাল হোসেন বানভাসী মানুষের পাশে দাঁড়াতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলারও আহ্বান জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে উত্তরবঙ্গের বন্যা ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসংগে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন আরো বলেন, দেশে কার্যকর গণতন্ত্র নেই। দলমত নির্বিশেষে জনগণকে বানভাসী মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

ওদিকে, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজকে উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে ঢাকা এবং আশেপাশের জেলাগুলো বন্যার পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, জামালপুরে মানুষ বানের পানিতে ভেসে যাচ্ছে। গবাদিপশু ভেসে যাচ্ছে। গোটা দেশ তলিয়ে যাচ্ছে। সর্বত্রই ত্রাণের জন্য হাহাকার। অথচ প্রধানমন্ত্রী ১৮ দিনের ছুটিতে চলে গেলেন লন্ডন। তিনি সেখানে গিয়ে বৈঠক করছেন। এই হচ্ছে এই সরকারের দায়িত্ব। কারণ তাদের তো নির্বাচন, ভোট ও জনগণ প্রয়েআজন হয় না।  তাদের দকার  পুলিশ র‌্যাব ও ভেআটের বাক্ষ ভরার জন্য রাতের অন্ধকার।

সোমবার (২২ জুলাই) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী  এসব কথা বলেন।

বিএনপির শীর্ষ এই নেতা দেশের গুম-খুন-ধর্ষণ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, আজকে ক্রসফায়ার আর গুমের মাধ্যমে মানুষকে নিরুদ্দেশ করে দেয়া হচ্ছে। দেশের সব মানুষকেই তারা নিরুদ্দেশ করতে চায়। সে কারণে শিশুখাদ্যে (দুধ) এন্টিবায়োটিক পাওয়া যাচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে চায়।  শিশু থেকে বৃদ্ধা পর্যন্ত ধর্ষিত হচ্ছে। এটাই আওয়ামী লীগের ও শেখ হাসিনার উন্নয়ন। অথচ ঢাকায় ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করেছে। সেদিকে সরকারের নজর নেই। তাদের নজর হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকে, সোনালি ব্যাংকের দিকে, রুপালি ব্যাংকের দিকে, সরকারি ট্রেজারিগুলোর দিকে। কারণ সেখান থেকে টাকা তুলে নিয়ে তারা কানাডা মালয়েশিয়াতে সেকেন্ড হোম ও বেগম পল্লী বানাবে।

ওদিকে সরকারের সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্বীকার করেছেন, বন্যাবলিত এলাকায় রাস্তা-ঘাটের ক্ষতি হয়েছে। তবে মহাসড়কগুলি ভালো রয়েছে। ফলে এবারের ঈদযাত্রায় তেমন ভোগান্তি হবে না। 

এ সময় মন্ত্রী অরো জানান ঈদের আগের তিন দিন ও পরের তিন দিন সড়ক-মহাসড়কে ভারী যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া, ঈদের আগের সাত দিন এবং পরের তিন দিন (মোট ১০ দিন) সিএনজি (ফিলিং) স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য