ডেঙ্গু মোকাবেলায় জনসচেতনা বাড়াতে কাজ করার আহ্বান 

যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ ওমর ফারুক চৌধুরী

যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ ওমর ফারুক চৌধুরী

সোমবার সকাল ১১ টায় সিলেট ঐতিহাসিক রেজিষ্ট্রারি মাঠে আওয়ামী যুবলীগ সিলেট জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 

সম্মেলন উদ্বোধন করেন যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ ওমর ফারুক চৌধুরী, প্রধান অতিথি প্রবাসী ও বৈদেশিক কল্যান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ এমপি, প্রধান বক্তা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: হারুনুর রশীদ, বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) লুৎফুর রহমান, মাহমুদ উস সামাদ কয়েছ এমপি, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমেদ।

এ সময় উদ্বোধনী বক্তব্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, ভাইয়ের নামে মিছিল দিয়ে লাভ হবেনা। কাউন্সিলররাই নির্ধারণ করবে যুবলীগের নেতৃত্ব। প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তাঁরা। সুতরাং ভাইয়ের নামে শ্লোগান দিয়ে কোনো লাভ নেই। তিনি বলেন, কর্মীবান্ধব হলে আপনার ভয় নাই, চাঁদাবাজি না করে থাকলে আপনার ভয় নাই, টেন্ডারবাজি না করলে আপনার ভয় নাই-ভয় কেবল আপনি দুর্নীতিবাজ এবং রাজনীতিতে পেশি শক্তি ব্যবহার করে থাকলে। তিনি যুবলীগ কর্মী এবং কাউন্সিলরদের প্রতি কোনো চাপের কাছে নতি শিকার না করে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করার আহবান জানান। আগে আপনাকে ঠিক করে নিতে হবে- যুবলীগ করবেন নাকি টেন্ডারবাজি করবেন। 

কারণ টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজদের স্থান যুবলীগে হবেনা, হতে পারেনা, হতে দেওয়া হবেনা। তাই, বুঝে শোনে ও জেনে আপনাকে যুবলীগ করতে হবে। তিনি বলেন, প্রথমেই আপনাকে মুজিবাদর্শের উত্তরসুরী হতে হবে। কারণ হাইব্রিডদের স্থান যুবলীগে কখনো হবেনা। যুবলীগ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্টির স্বার্থ হাসিলের জায়গা নয়। তিনি যুবলীগকে শেখ হাসিনার ভ্যনগার্ড আখ্যা দিয়ে উন্নয়নের রাজনীতিতে একযোগে কাজ করার জন্য যুবলীগ কর্মীদের প্রতি আহবান জানান। এসময় ডেঙ্গু মোকাবেলায় যুবলীগের প্রত্যেকটি নেতাকর্মীদের জনসচেতনা তৈরি করতে পোস্টার, লিফলেটের মাধ্যমে একযোগে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী ও বৈদেশিক কল্যান মন্ত্রী বলেছেন, যুবলীগের আগামী নেতা নির্ধারনের জন্য প্রার্থীদের অতিথ ইতিহাস, দলীয় কর্মকান্ড, দলের প্রতি ভুমিকা দেখে নেতা নির্বাচন করতে হবে। তিনি বলেন, গ্রুপিং রাজনীতি নেতৃত্বের রাজনীতিকে ধ্বংস করে। তাই যুব রাজনীতিতে গ্রুপিং রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন আজকের পর থেকে সিলেটের যুবলীগ তার পুরোনো ঐতিহ্যে নিয়ে ফিরে আসবে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা ও শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে যুব নেতৃত্বকে আরও জোরদার করতে হবে। তবেই, ২০২১ সালে মধ্য আয়ের দেশ, ২০৪১ উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তিত হবে। ইমরান আহমদ বলেন, আজকের এই যুবকদের জন্য চিন্তা করেই বর্তমান সরকার যুবকদের সংগঠিত করে বিভিন্ন পদক্ষেপ ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছে প্রবাসী মন্ত্রণালয়।

সিলেট জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামীম আহমদ’র সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান’র সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান হিরন, আবদুস সাত্তার মাসুদ, মো. আতাউর রহমান, অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন, ড. আহমদ আল কবির, অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু, যুগ্ম সম্পাদক মহি উদ্দিন আহমেদ মহি, সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম, ফজলুল হক আতিক, ফারুক হাসান তুহিন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, ড. সাজ্জাদ হায়দার লিটন, শ্যামল কুমার রায়, এন আই আহমেদ সৈকত প্রমুখ।

পাঠকের মন্তব্য