ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে দুদকের অভিযান টীম

মশক নিধনের ঔষধ আমদানি ও ব্যবহারে অনিয়ম ও দুর্নীতি

মশক নিধনের ঔষধ আমদানি ও ব্যবহারে অনিয়ম ও দুর্নীতি

মশক নিধনের ঔষধ আমদানি ও ব্যবহারে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে আজ অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক।

উক্ত অভিযানে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধনের ঔষধ ক্রয়ের চার বছরের তথ্য সংগ্রহ করেছে দুদক।

দেশব্যাপী ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে এডিস মশা তথা ডেক্সগুজ্বরের প্রাদুর্ভাব। এমন প্রেক্ষাপটে দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন- ১০৬) অভিযোগ আসে যে, সিটি কর্পোরেশনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র মশক নিধনের ঔষধ আমদানিতে সিন্ডিকেট করে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে অকার্যকর ঔষধ আমদানি করেছে। তৎপ্রেক্ষিতে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম আজ (০৪/০৮/২০১৯ খ্রি.) এ অভিযান পরিচালনা করে। সরেজমিন অভিযানে জানা যায়, বিগত বছরগুলোতে রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (ICDR) কেবলমাত্র কিউলেক্স মশা নিধনের পরীক্ষা সম্পন্ন করে কীটনাশক পরীক্ষার ফলাফল গ্রহণপূর্বক ঔষধ আমদানি করা হয়েছে। দুদক টিম ২০১৯-২০ অর্থবছরে মশা নিধনের ঔষধ ক্রয়ের জন্য এডিস মশার উপর পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য পরামর্শ প্রদান করেছেন।

এদিকে ক্রয় প্রক্রিয়া অনুসন্ধানে দুদক টিম দেখতে পায়, গত চার বছর যাবৎ "দি লিমিট এগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড" নামক প্রতিষ্ঠান থেকেই এককভাবে ইনসেক্টিসাইড সরবরাহ করা হয়েছিল। জানুয়ারি, ২০১৯ -এ "নিকোন লিমিটেড" নামক প্রতিষ্ঠান-কে ঔষধ বিক্রয়ের কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। দুদক টিম ২০১৫-২০১৯ সালের কার্যাদেশ প্রদান সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাবলী সংগ্রহ করে এবং এ ক্রয় প্রক্রিয়ায় কোনো দুর্নীতি হয়েছে কি না তা বিশ্লেষণপূর্বক পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে।

পাঠকের মন্তব্য