ঝাড়ফুঁকের নামে ধর্ষণ, ইমামের লালসার শিকার কিশোরী

ঝাড়ফুঁকের নামে ধর্ষণ, ইমামের লালসার শিকার কিশোরী

ঝাড়ফুঁকের নামে ধর্ষণ, ইমামের লালসার শিকার কিশোরী

ঝাড়ফুঁকের নামে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল ইমামের বিরুদ্ধে৷ ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারির সৈয়দপুরে৷ কিশোরীর পরিজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে রংপুরের কোতোয়ালি থানার বাসিন্দা সাকিব আলি নামে বছর ত্রিশের ওই ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ সে বর্তমানে সৈয়দপুর উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের একটি মসজিদের ইমাম৷

স্থানীয়দের দাবি, অনেকেই মনে করেছিলেন অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রী উপর অপদেবতা ভর করেছে৷ তাই তাকে ঝাড়ফুঁক করার জন্য ইমাম সাকিব আলিকে ডেকে পাঠানো হয়৷ ইমাম কিশোরীর বাড়িতে আসে৷ একটি ঘরে দরজা বন্ধ করে কিশোরীকে নিয়ে ঢুকে যায় সে৷ অভিযোগ, ওই ঘরেই কিশোরীকে ঝাড়ফুঁকের নামে ধর্ষণ করা হয়৷ কিশোরী চিৎকার করতে থাকে৷ তবে প্রথমে তাতে আমল দেননি তার পরিজনেরা৷ পরে অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন তাঁরা৷ অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় ইমাম ও ওই কিশোরীকে দেখতে পান তাঁরা৷ ইমামকে ঘরে আটকে রেখে খবর দেওয়া হয় পুলিশে৷ বেশ কয়েকজন আধিকারিক ঘটনাস্থলে যান৷ ইমামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ৷ আপাতত জেল হেফাজতেই রয়েছে অভিযুক্ত৷

ইতিমধ্যেই কিশোরীকে নীলফামারি আধুনিক সদর হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়৷ পুলিশ সূত্রে খবর, রিপোর্টে মিলেছে ধর্ষণের প্রমাণ৷ এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সৈয়দপুর থানার আধিকারিক আবুল হাসনাত খান, ‘‘মেয়েটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।’’ পুলিশসূত্রে খবর, ওই ইমাম প্রথমে নিজের দোষ অস্বীকার করছিলেন৷ তবে দীর্ঘক্ষণ পুলিশি জেরার পর সাকিব মেয়েটিকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে৷

পাঠকের মন্তব্য