দয়া করে পড়বেন- না পড়ে লাইক দেবেন না

দয়া করে পড়বেন- না পড়ে লাইক দেবেন না

দয়া করে পড়বেন- না পড়ে লাইক দেবেন না

গত দুইদিন যাবত ফেইসবুকে একটা খবরই প্রাধান্য পাচ্ছে- সেটা হোলো জামালপুরের ডিসির নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে আপত্তি’কর ভিডিও ভাইরাল হওয়ার মুখরোচক কাহিনী- আমি ভিডিওটা দেখিনি- দেখার ইচ্ছাও নেই। এসব ব্যাপার নিয়ে আমার কখনোই কিছু লিখতে ইচ্ছা হয় না- এখনো ছিলো না। শুধু একটা কথা না বলেই পারছি না- ডিসি সাহেব যা করেছেন সেটা নি:সন্দেহে অন্যায় কাজ বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে এধরনের নেক্কারজনক ঘটনা ঘটানো একজন দায়ীত্বশীল প্রসাশনের কর্মকর্তার জন্য শুধু অন্যায় নয় অপরাধও বটে। 

এ ধরনের অনৈতিক আর অশ্লীল কাজ করার বাসনা তার যদি হয়েই থাকে তবে সে জন্য তার অবসর সময়ে অন্য কোনো জায়গা খুঁজে নিতেই পারতেন। তারা দুজনেই প্রাপ্ত বয়স্ক তারা যদি এটাকে অপরাধ না মনে করেন, পরিবারের প্রতি যদি তাদের আনুগত্যবোধ না থাকে সেটা তো তাদের ব্যাপার- কারো কিছু জানার বা বলার ছিলো না। কিন্তু যেহেতু ঘটনাটা ঘটেছে অফিসে এবং অফিস চলাকালিন সুতরাং শাস্তি তো তাদের পেতেই হবে। 

তবে আমার মনে হয় যারা এই ভিডিওটা সঠিক সময়েই ধারন করেছে এবং মিডিয়াতে ছড়িয়ে দিয়েছে তারা অবশ্যই উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবেই এটা করেছে- ডিসি সাহেবকে পরিকল্পিতভাবেই ফাঁসানোর জন্যই এই হীন প্রচেষ্টা। এতে করে শুধু ডিসি বা তার প্রেমিকাই নয়- দুটো পরিবারকে (হয়তো তাদের ছোট, ছোট ছেলেমেয়েও আছে) পুরো দেশের সামনে উলঙ্গ করে দেয়া হয়েছে।এটা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত ? ডিসি সাহেবকে তো অন্যভাবেও শোধরানোর চেষ্টা করা যেতো, শাস্তিও দেয়া যেতো; কি প্রয়োজন ছিলো এই ভিডিও ভাইরাল করার ? কাহারো ব্যক্তিগত ভিডিও এভাবে প্রকাশ করাও অন্যায় এবং অপরাধ সুতরাং তাদেরও শনাক্ত করে শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।

ফেসবুক স্ট্যাটাস লিঙ্ক : খালেদা আখন্দ

পাঠকের মন্তব্য