বাংলাদেশ, মিয়ানমার মধ্যে ত্রিদেশীয় বৈঠক করবে চীন

বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে ত্রিদেশীয় বৈঠক করবে চীন

বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে ত্রিদেশীয় বৈঠক করবে চীন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে ত্রিদেশীয় বৈঠকের আয়োজন করবে বেইজিং। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে তার দফতরে চীনের নতুন রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এ সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘চীনের রাষ্ট্রদূত আমার কাছে এসেছিলেন। মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ করে বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করবেন তিনি।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর চীনের রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের পথ খোঁজাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন আরও গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে।’

২২ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারের রাখাইনে প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়। প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য বাংলাদেশ-মিয়ানমারের পাশাপাশি চীনের প্রতিনিধিরাও কক্সবাজারে উপস্থিত ছিলেন।

কিন্তু রোহিঙ্গাদের অনিচ্ছায় তা সম্ভব হয়নি। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সর্বশেষ প্রত্যাবাসন চেষ্টায় বাংলাদেশের সঙ্গে চীনও মাঠে ছিল। দ্বিতীয় দফাও ভেস্তে যাওয়ায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নতুন করে শুরু করতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে পথ খোঁজার চেষ্টা চলছে।

১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। যাদের মধ্যে ৭ লাখ ৩০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে এসেছে। শুরুতে মানবিক কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ তাদের আশ্রয় দিলেও দীর্ঘ সময় ধরে আশ্রয় দেয়া সম্ভব নয়। কারণ এ জনসংখ্যার ভার বহনের ক্ষমতা বাংলাদেশের নেই।

অনেক চেষ্টা ও প্রক্রিয়া শেষে ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর প্রথম পর্যায়ে রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরত পাঠানোর তারিখ ঠিক হয়েছিল। কিন্তু রোহিঙ্গাদের অনিচ্ছার কারণে প্রত্যাবাসন আটকে যায়।

পাঠকের মন্তব্য