পাইকগাছায় অজ্ঞাত কারণে মারা যাচ্ছে সড়কের গাছগুলি 

পাইকগাছায় অজ্ঞাত কারণে মারা যাচ্ছে সড়কের গাছগুলি 

পাইকগাছায় অজ্ঞাত কারণে মারা যাচ্ছে সড়কের গাছগুলি 

পাইকগাছা উপজেলা শিববাটি ব্রীজ স্মরণখালী হতে কাটাখালী বাজার পর্যন্ত প্রধান সড়কের অসংখ্য বিভিন্ন প্রজাতির গাছ অজ্ঞাত কারণে মারা যাচ্ছে। 

উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের উদ্যোগে ৮/১০ বছর আগে পাহাড়ী শিরিষ, নিম, বাবলা সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বপন করে সবুজ বনায়ন গড়ে উঠে। রাস্তার দু'পাশে সবুজ বনায়নের ফলে এক অপরূপ সৌন্দর্যময় দৃশ্য এলাকা সহ আশে পাশের ভ্রমন পিপাসু দর্শনার্থীদের পদচারনায় মুখরিত থাকত। কান্ত পথিকেরা গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিত। সেই শোভামন্ডিত বৃক্ষ গুলো ৫/৬ বছর ধরে পাহাড়ী শিশু শিরিষ গাছগুলো অজ্ঞাত রোগে একে একে মারা গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি। একই সাথে বনায়নের দেখাশুনার জন্য দায়িত্বরত  কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। কয়েক বছর আগে রাস্তার পাশে চাঁদখালী ইউনিয়নের নজরুল ইসলাম সরদার একটি ইটের ভাটা স্থাপন করেন। ভাটা তৈরির পরে এসকল গাছগুলো মারা যাচ্ছে বলে স্থানীয় এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে এ প্রতিবেদককে জানান। শিববাটি ব্রীজ স্মরণখালীর থেকে কাটাখালী পর্যন্ত প্রায় ৫/৭ কিলোমিটার রাস্তার দু’ধারে এ সব গাছ লাগানো হয়। একই সাথে সম্প্রতি কিছু নারিকেলের চারা লাগানো হয়। নারিকেলের চারাগুলো প্রায় সবই মারা গেছে। নিম গাছগুলো টিকে থাকলেও শিশু শিরিষ গাছগুলো একে একে সবই মারা যাচ্ছে। 

এ ব্যাপারে স্থানীয় বনবিভাগের কর্মকর্তা প্রেমানন্দ রায় জানান, এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর পূর্বে এ গাছগুলো রোপন করে। কি কারণে গাছগুলো মারা যাচ্ছে তা খতিয়ে দেখার জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। আজও পর্যন্ত তার কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া সুকায়না জানান, বনবিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তবে লবণাক্ততার কারণে মারা যেতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

পাঠকের মন্তব্য