সকল রেকর্ড টপকিয়ে ফুলপুরের শীর্ষ নেতা প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ

সকল রেকর্ড টপকিয়ে ফুলপুরের শীর্ষ নেতা প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ

সকল রেকর্ড টপকিয়ে ফুলপুরের শীর্ষ নেতা প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ

সকল রেকর্ড টপকিয়ে ইতিহাস গড়েছেন ময়মনসিংহের জেলার  ফুলপুর উপজেলার শীর্ষ নেতা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মাননীয় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ফুলপুরের জমিনে সর্বপ্রথম প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। তাঁর আগে ফুলপুরের কোন নেতা ওই মন্ত্রীত্ব পদ অর্জন করতে পারেননি। 

তিনি ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার কামারিয়া গ্রামে ১৯৭০ সালের ২৫ জানুয়ারি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা রাজনৈতিক কিংবদন্তি ভাষাসৈনিক ও বীরমুক্তিযোদ্ধা জননেতা মরহুম এম শামছুল হক পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং একবার উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জনাব শামছুল হক ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের খুব কাছের রাজনৈতিক সহচর ছিলেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। শামছুল হক বাংলাদেশের তথা তৎকালীন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার একজন নীতিবান, আদর্শবান এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া অত্যন্ত প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ও জননেতা ছিলেন।জনাব শরীফ আহমেদের মাতা একজন রত্নগর্ভা মহীয়সী নারী, যিনি সবসময় পরিবারকে অনুপ্রেরণা দিয়ে আসছেন। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি তার সব সন্তানদেরকে সুযোগ্য ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তিন ভাই ও তিন বোন মোট ছয় ভাইবোনের মধ্যে জনাব শরীফ আহমেদ পঞ্চম।

তিনি স্কুলজীবনে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জনসহ কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাশ করেন। এরপর ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও ফুলপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন শেষে ময়মনসিংহের আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর বাবার উত্তরসূরী হিসেবে তিনি রাজনীতিতে হাল ধরেন। ছাত্রজীবনে ক্রীড়াঙ্গনে ছিল তার অবাধ বিচরণ। ফুটবল ও ক্রিকেটে তার অসাধারণ কৃতিত্ব ছিল। পরিচিত ও বন্ধুমহলে তিনি এক প্রাণবন্ত, উচ্ছল তারুণ্যের প্রতীক।জনাব শরীফ আহমেদ তৃণমুল রাজনীতিতে একজন বলিষ্ঠ নেতা ও মহৎ হৃদয়ের সফল মানুষ হিসেবে সুপরিচিত মুখ। 

মূলত: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও নিজ পিতার রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ছাত্র জীবনেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন।তৃণমূল থেকে উঠে আসা জনাব শরীফ আহমেদ ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরবর্তীতে ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তিনি ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সক্রিয় সদস্য।জনাব শরীফ আহমেদ ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, পেশা নির্বিশেষে সকল মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব। তৃণমূলে বিপুল কর্মীবাহিনী তার রাজনৈতিক জীবনের প্রধান চালিকাশক্তি। রাজনৈতিক জীবনে ২০১৩ সালে জনগণ তাঁকে তারাকান্দা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত করেন। 

২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তিনি দশম জাতীয় সংসদের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।ব্যক্তিগত জীবনে মাননীয় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জনাব শরীফ আহমেদ বিবাহিত। তাঁর সহধর্মিনী মিসেস শেফালী বেগম বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী দুই সন্তানের গর্বিত পিতা। প্রথম সন্তান ওয়াসেক আহমেদ ও ২য় সন্তান তাসফিয়া আহমেদ।রাজনৈতিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তার রয়েছে বিশেষ সম্পৃক্ততা। অবসর পেলেই তিনি বই পড়ায়, গান শোনায় আর কবিতা আবৃত্তি চর্চ্চায় নিজেকে মনোনিবেশ করেন। কথা বা কাজের মাধ্যমে অতি সহজেই তিনি মানুষের হৃদয় জয় করতে পারেন। এটি তার একটি বিশেষ গুণ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত ভক্ত ও স্নেহভাজন শরীফ আহমেদ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করার মাধ্যমে দেশকে আরো উন্নত ও শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার সংকল্পে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এ ব্যাপারে তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

তথ্যসংগ্রহ: মন্ত্রী মহোদয়ের পরিচিতি পাতা থেকে।

পাঠকের মন্তব্য