চুনারুঘাটে বিরতী দিয়ে লাউ চাষ করে কৃষকের মুখে হাসি 

চুনারুঘাটে বিরতী দিয়ে লাউ চাষ করে কৃষকের মুখে হাসি 

চুনারুঘাটে বিরতী দিয়ে লাউ চাষ করে কৃষকের মুখে হাসি 

বাড়ীর পাশের জমিতে নিয়মিত ধান চাষ করতেন চুনারুঘাট উপজেলার গোছাপাড়া গ্রামের কৃষক মুকিত মিয়া৷ জমিতে ফলনও ভালো পেতেন। গত বোরো মৌসুমে জমিতে ভালো ফলন পেলেও বাজার মূল্য ভালো না থাকায় লাভের মূখ দেখেন নি সম্পূর্ণ কৃষি নির্ভর মুকিত মিয়া। জমি এবং জমি চাষের সরঞ্জামাদির সাথে যার পরিবারের ভরনপোষণ নির্ভর তিনি চাষাবাদে লোকসানে পড়লে সংসার চালাবেন কি করে?

তাই তিনি বাড়ির পাশের ১৮ শতাংশ জমিতে বিকল্প কিছু চাষ করার সিদ্ধান্ত নেন। জমি উপযুক্ত করে মিষ্টি কুমড়ার বীজও বপন করেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফসলের মূখ দেখার আগেই নষ্ট হয়ে যায় বেড়ে ওঠা চারা গুলো। যাননি তিনি।

শ্রাবণের শেষের দিকে মাচা তৈরী করে লাউ বীজ বুনেন। পরিচর্যা করতে থাকেন নিরলস। ভাদ্র পেরিয়ে আশ্বিনেই মাজাকে ঘিরে ফেলে লাউ লতা। ফুলে-ফসলে ভরে উঠে বাগান। সত্তরটি লাউ গাছ থেকে এ সপ্তাহে বিক্রি হয় ৬ হাজার টাকার লাউ। মাচায় ঝুলে থাকা ছোট বড় শতশত লাউ দেখে হাসি ফুটে চাষি মুকিত মিয়া ও শরিকদার জলফু মিয়ার।

মুকিত মিয়া ও জলফু মিয়া একসঙ্গে জানান, লাউয়ের যে ফলন হয়েছে তাতে গত কয়েক বছরে ধান চাষ করে যতটা লাভবান হয়েছেন তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি লাভবান হবেন বলে আশা করছেন তারা। ওই জমিতে আর এক ফসলের বেশি ধান চাষ করবেন না বলেও জানান তারা।

সরেজমিনে লাউয়ের বাগানে গিয়ে সেখানে চাষি মুকিত মিয়ার সাথে কথোপকথনে দেখা যায় চুনারুঘাট উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রনি দেবরায় ও কবিরকে। তারা মুকিত মিয়াকে লাউ বাগানের পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দিচ্ছিলেন।

পাঠকের মন্তব্য