ফেনী নদীর জল ভারতকে দেওয়া নাকি দেশদ্রোহিতার সামিল 

ফেনী নদীর জল ভারতকে দেওয়া নাকি দেশদ্রোহিতার সামিল 

ফেনী নদীর জল ভারতকে দেওয়া নাকি দেশদ্রোহিতার সামিল 

তিস্তা জলবন্টন জট কাটেনি। তবে ,’মানবিকতা’ খাতিরেই ফেনী নদীর ‘পানি’ ভারতে পাঠাতে রাজি বাংলাদেশ সরকার। ত্রিপুরার সাব্রুমবাসী এই ফেনী নদীর জল পাবেন। বাংলাদেশের ফেনী নদী থেকে ১ দশমিক ৮২ কিউসেক জল নিতে পারবে ভারত। ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে হওয়া এই চুক্তি ঐতিহাসিক হিসাবে জানাচ্ছেন দুদেশের রাজনৈতিক শিবির।

যদিও বাংলাদেশ সরকারের এই সিদ্ধান্ত নাকি দেশবিরোধী চুক্তি। এমনটাই বিস্ফোরক দাবি বিএনপির। দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির জানিয়েছেন, “আমরা ফেনী নদীর জল প্রত্যাহরসহ সকল দেশবিরোধী চুক্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে ওইসব চুক্তি বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।”

শনিবার নয়াদিল্লিতে হায়দরাবাদ হাউজে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে ছয়টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকের আওতায় ফেনী নদী থেকে ১ দশমিক ৮২ কিউসেক জল ত্রিপুরার একটি শহরে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে ভারতকে। রিজভী বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দর ব্যবহার, ফেনীর নদীর জল ত্রিপুরায় সরিয়ে নেওয়া এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে গ্যাস পাঠানোর যে চুক্তি করা হল তা স্পষ্টভাবে সংবিধান পরিপন্থি। এসব চুক্তি সংবিধানের ১৪৫ ক অনুচ্ছেদের গুরুতর লঙ্ঘন। যা সংবিধানের ৭ ক অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের শামিল।”

এসব চুক্তি করায় প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে রিজভী বলেন, “রাষ্ট্রবিরোধী ও জাতীয় স্বার্থ পরিপন্থি এসব চুক্তি করে প্রধানমন্ত্রী তার সাংবিধানিক শপথ ভঙ্গ করেছেন। তিনি তার স্বার্থরক্ষায় তার কৃত শপথ ভঙ্গের প্রমাণ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ভারতকে গ্যাস দেওয়া নিয়েও হাসিনাকে আক্রমণ করেছেন বিএনপি নেতা।

পাঠকের মন্তব্য