যুদ্ধবিধ্বস্ত ইথিওপিয়ায় শান্তি ফিরিয়ে দিয়ে পেলেন নোবেল 

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইথিওপিয়ায় শান্তি ফিরিয়ে দিয়ে পেলেন নোবেল 

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইথিওপিয়ায় শান্তি ফিরিয়ে দিয়ে পেলেন নোবেল 

এবার নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হতেই গ্রেটা থুনবার্গ শান্তি পুরস্কার পাচ্ছে বলেই মনে করেছিলেন অনেকে। কিন্তু, শুক্রবার ২০১৯ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য নাম ঘোষণা করা হল ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলির। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে শান্তি ফেরানোর জন্য অসামান্য অবদানের কারণে তাঁকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রতিবেশী দেশ ইরিট্রিয়ার সঙ্গে দু’দশক ধরে চলা সীমান্ত সমস্যার সমাধানের জন্য তাঁকে কুর্নিশও জানিয়েছে নোবেল কমিটি।

শুক্রবার অসলো শহরে সাংবাদিক বৈঠক করে আহমেদ আলির নাম ঘোষণা করা হয় নোবেল কমিটির তরফে। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে রক্তাক্ত হয়েছে ইথিওপিয়া। কিন্তু, ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে শান্তি ফেরানোর অক্লান্ত চেষ্টা করেছেন আলি। দুর্নীতিকে কড়া হাতে মোকাবিলা করার সঙ্গে সঙ্গে  নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত পুরোপুরি গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরেনি সেখানে। তারপরও সেদেশের প্রধানমন্ত্রীকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে তাঁর অবদানকে স্বীকৃতি জানানো হচ্ছে। আশা করা যায় এই পুরস্কার পাওয়ার পর দেশের গণতন্ত্র ফেরাতে আরও উদ্যোগী হবেন আলি। অনেকেই মনে করতে পারেন যে প্রধানমন্ত্রী আবি এখনও সম্পূর্ণ সফল হননি। তাই তাঁকে পরেও এই পুরস্কার দেওয়া যেত। কিন্তু, নোবেল কমিটি মনে করে, এখনই তাঁকে সম্মান জানানোর উপযুক্ত সময়।

এবার নোবেল শান্তি পুরস্কার কে পেতে পারেন তা নিয়ে অনেক জল্পনা হয়েছে। তার মধ্যে জার্মান চান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল, হংকংয়ের প্রতিবাদীরা ও বর্তমান বিশ্বের পরিবেশ আন্দোলনের মুখ গ্রেটা থুনবার্গেরও নাম ছিল। কিন্তু, সেই সব জল্পনা মিথ্যে প্রমাণ করে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলি।

পাঠকের মন্তব্য