আবরার হত্যা : স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন অনিক

আবরার হত্যা : স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন অনিক

আবরার হত্যা : স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন অনিক

আবরার হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এই মামলার এজাহারভুক্ত আসামী বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অনিক সরকার। শনিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন অনিক। অনিক বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন। আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করে ছাত্রলীগ।

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক সরকার রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বড়ইকুড়ি গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন ও শাহিদা বেগমের ছেলে। বুয়েটের শেরেবাংলা হলে থাকতেন অনিক।

এদিকে সকালে, আবরার হত্যার আরেক আসামি মুয়াজকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।

প্রসঙ্গত, রবিবার রাত ২টার দিকে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের সিঁড়ি ঘর থেকে তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই হলের শিক্ষার্থীদের বরাত দিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবরারকে কয়েকজন ডেকে নিয়ে যায়। পরে, রাত ২টার দিকে হলের দ্বিতীয় তলার সিঁড়িতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। মঙ্গলবার, সকাল ১০টায় কুমারখালীর রায়ডাঙ্গায় আবরারের গ্রামের বাড়িতে তৃতীয় ও শেষ জানাজা শেষ হবার পর পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।

আবরার হত্যা মামলায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলা হয়। মামলাটিতে বর্তমানে বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহতামিম ফুয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকার, কর্মী  মুনতাসির আল জেমি, সদস্য মো. মুজাহিদুর রহমান, কর্মী খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, গ্রন্থ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইসাতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, মো. মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, সাসছুল আরেফিন রাফাত, অমিত সাহা  ও হোসেন মোহাম্মাদ তোহা রিমান্ডে রয়েছেন।

পাঠকের মন্তব্য