ঝিনাইদহে ভূয়া প্রকল্পের নামে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ উত্তলোন

ঝিনাইদহে ভূয়া প্রকল্পের নামে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ উত্তলোন

ঝিনাইদহে ভূয়া প্রকল্পের নামে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ উত্তলোন

ঝিনাইদহে ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। বিশেষ সুত্রে জানা গেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাগান্ন ইউনিয়নের সাগান্না গ্রামের ষাটতলা পাড়ার তাজুল ইসলামের মেয়ে নিপা খাতুন “জোনাকি ডেইরী অ্যান্ড এগ্রো লিঃ” নামে একটি ভূয়া প্রকল্প তৈরি করে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা ঋণ নেয়। এই প্রকল্পে দেখান হয়েছে যে ৩ একর জমির উপর ডেইরী ফার্ম ও বায় গ্যাস প্রান্ট তৈরি করবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন এক দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করে নিপা কে এই প্রকল্পের এম ডি দেখিয়ে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার ঋণ পাস করে। এই ঋণে ৪ বছর পর মাত্র ৪% হারে সুদ দিতে হবে।

সরোজমিনে গেলে দেখা যায় যে ফার্মের দেওয়ালে জোনাকি ডেইরী অ্যান্ড এগ্রো লিঃ প্রকল্পের নাম লেখা আছে আধুনিক পদ্ধতিতে দুগ্ধ খামার ও বায়োগ্যাস উৎপাদন প্রকল্প,সার্বিক তত্ত্ববধায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফার্মের মধ্যে গরুর ঘর থাকলেও এই ঘরে কোন গরু নেই এমনকি কোন দিন এখানে গরু পালন হয়েছে তার কোন নিশানা নেই। নেই বায়োগ্যাস প্রান্ট। শুধু কয়েক বিঘা জামির বাউন্ডারি ঘিরে রাখা হয়েছে তার মধ্যে করা হয়েছে কিছু ঘাসের চাষ । এই প্রকল্প দেখিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাশ করান হয়েছে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। যার প্রথম কিস্তি ৭০ লক্ষ টাকা পেয়েছে বাকি আরও ৭০ লক্ষ টাকা পাবে।

নাম প্রকাশ না করার সর্তে কয়েক জন বলেন যে এই জমি নিপার না তাহলে নিপার নামে কি ভাবে ঋণ হলো। এই ভাবে ঋণ হলে সে টাকা আর বাংলাদেশ ব্যাংক পাবে না। নিপার এক প্রবাসীর সাথে বিবাহ হয়েছে,কিন্তুু সে এখন ঢাকায় থাকে।

এই প্রসঙ্গে নিপা খাতুনের সাথে কথা বল্লে তিনি বলেন আমার ফার্ম ২০১৮সালে মার্চ মাসে শুরু করি, কে বা কাহারা আমার ও আমার ফ্যামেলি উপর শত্রুতা করে আমাদেকে ফাঁসানোর জন্য চেষ্টা করছে, মোট তিন টা কিস্তি পাব, প্রথম কিস্তি ৭০লক্ষ পেয়েছি, দ্বীতিয় কিস্তি কিছুদিনের ভিতরে পাব। পাশের বাড়ির লোক জনের সাথে কথা বলে জানা যায় যে নিপা এখানে থাকে না ঢাকায় থাকে মাঝে মাঝে আসে। তবে গরুর ফার্ম করার জন্য ঋণ নিলেও তারা কোন গরুর ফার্ম করেনি। কোন কারনে তাজুল ইসলাম অনেক ঋণ আছে এই টাকা নিয়ে সেই ঋণ পরিশোধ করেছে।

পাঠকের মন্তব্য