মেননের স্বীকারোক্তির পর সরকারের পদত্যাগ করা উচিত

মেননের স্বীকারোক্তির পর সরকারের পদত্যাগ করা উচিত

মেননের স্বীকারোক্তির পর সরকারের পদত্যাগ করা উচিত

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের এমন বক্তব্যের পর, সরকারের পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আজ (রোববার) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। রিজভী বলেন, জাতির সামনে রাজসাক্ষী হয়ে রাতের ভোট ডাকাতির স্বীকারোক্তি দেয়ার মাধ্যমে নিজের দায় ও অপরাধ স্বীকার করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। তার এ বক্তব্যের পর নৈতিকতা ও বাস্তবতার দিক দিয়ে বর্তমান সরকারের উচিত সংসদ ভেঙে দেয়া। সরকারের যদি লজ্জা থাকে তাহলে তাদের পদত্যাগ করা উচিত। তারা যে অবৈধ সরকার তাদের লোকেরাই তা স্বীকার করেছেন।

চেয়ারপার্সনের মুক্তি দাবি করে বিএনপির এ নেতা বলেন, দেশ চলছে সম্পূর্ণ উল্টো পথে। যারা অপরাধী রাজদণ্ড তাদের হাতে। আর নিরাপরাধ থাকেন কারাগারে। গণতন্ত্র ও দেশের পক্ষে কথা বলার কারণেই খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দি। আর শেখ হাসিনার পলিটিক্যাল মনোপলি নীতির কারণেই নিহত সংবিধান, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা ও স্বচ্ছ নির্বাচন।

সত্যের ঢোল বাতাসে বাজে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপরাধবোধ মনে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। অপকর্ম করেও কখনো কখনো মানুষ বিবেকের তাড়নায় সত্য প্রকাশ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু সরকারের বিশ্বস্ত রাশেদ খান মেননের বক্তব্যের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য কি তা আমাদের জানা নেই।

রিজভী আরও বলেন, গত এক দশকে দেশে দুর্নীতি-অনাচার-দুর্বৃত্তায়ন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, সুবিধাবাদী মানুষরা আওয়ামী লীগকে মনে করছে টাকা বানানোর হাতিয়ার। অবস্থা এতটাই বিপর্যয়কর অবস্থায় পৌঁছেছে যে, একজন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য, তার পদের চেয়ে যুবলীগের নেতা হওয়াকে বেশি গৌরবজনক মনে করেন। আমাদের রাষ্ট্র, সমাজ ও চিন্তা-চেতনায় যে পচন ধরেছে, তার প্রমাণ একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আকাঙ্ক্ষা।

পাঠকের মন্তব্য