মোদির অনুষ্ঠানে কেন ব্রাত্য দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ? কটাক্ষ 

মোদির অনুষ্ঠানে কেন ব্রাত্য দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ? কটাক্ষ 

মোদির অনুষ্ঠানে কেন ব্রাত্য দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ? কটাক্ষ 

মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মোদি সরকারের উদ্যোগে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে বিভিন্ন কর্মসূচি। শনিবার সন্ধেয় বাপুজির জন্মদিন উপলক্ষেই মোদির বাসভবন লোককল্যাণ মার্গে আয়োজিত হয়েছিল একটি অনুষ্ঠানের। যেখানে প্রধানমন্ত্রী মোদির তরফে আমন্ত্রিত ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। উপস্থিত ছিলেন শাহরুখ খান, সোনম কাপুর, পরিচালক রাজকুমার হিরানি, কঙ্গনা রানাউত, রাজকুমার সন্তোষী, আনন্দ এল রাই, নীতীশ তিওয়ারি, অশ্বিনী আইয়ার তিওয়ারি, প্রযোজক বনি কাপুর ও একতা কাপুর-সহ আরও অনেকেই। তবে বলিউড তারকাখচিত এই অনুষ্ঠানে কিন্তু ব্রাত্য রয়ে গেলেন দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির তারকারা। প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে শুধু বলিউডই, কেন ব্রাত্য দক্ষিণী তারকারা? প্রশ্ন তুললেন তেলুগু সুপারস্টার রামচরন তেজার স্ত্রী উপাসনা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি মোদির উদ্দেশে প্রশ্ন ছোড়েন উপাসনা। গান্ধীজিকে নিয়ে যেন আরও বেশি করে সিনেমা এবং টেলিভিশনে কাজ করা হয়, সেই উদ্দেশেই বলিউড তারকারদের সঙ্গে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু এই আলোচনাসভায় বলিউড তারকারা ছাড়া অন্য আর কোনও ইন্ডাস্ট্রির ব্যক্তিত্বদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। আর তাতেই দক্ষিণী সুপারস্টারের স্ত্রী’র বেজায় মনোক্ষুন্ন হয়েছে।

উপাসনা নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “প্রিয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজী, আপনার প্রতি সব সম্মান এবং বিশ্বাস রেখেই বলছি, যে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল তা শুধুমাত্র বলিউড তারকাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এক্ষেত্রে আমার মনে হয়, দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি বা অন্য কোনও ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে অবহেলা করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গেই জানাচ্ছি যে এদিকটা যদি একটু নজর দেওয়া যেত।”

বৈঠক শেষে মোদি টুইট করে বলেন, “জাতির জনকের জন্মদিন পালনের জন্য সবার থেকেই পরামর্শ নেওয়া জরুরি ছিল। এতে নতুন উদ্ভাবনী বা সৃজনশীল ভাবনা সামনে আসে। একই সঙ্গে দেশের শিল্প-সংস্কৃতিকেও উন্নত করে। আশাকরি আমরা সবাই মিলে গান্ধীজির বার্তা বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে পারব।”

এই অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে শাহরুখ খান বলেন, “আমি মনে করি ভারত ও বিশ্বের সামনে মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ ফের তুলে ধরার সময় এসেছে। সিনেদুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত মানুষরা এব্যাপারে খুবই সচেতন। সবাইকে একত্রিত করার জন্য এটা বেশ প্রশংসনীয় একটা উদ্যোগ। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি গান্ধীজিকে রি-লোড করা দরকার। পৃথিবী বদলাচ্ছে, তাই আমাদের এখন দরকার গান্ধীজি ২.০।”

পাঠকের মন্তব্য