ভোলার ঘটনা ষড়যন্ত্রের অংশ : তথ্যমন্ত্রী

ভোলার ঘটনা ষড়যন্ত্রের অংশ : তথ্যমন্ত্রী

ভোলার ঘটনা ষড়যন্ত্রের অংশ : তথ্যমন্ত্রী

ভোলার ঘটনা দুঃখজনক উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল এর আগেও একই ভাবে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। ভোলার এই ঘটনা তাদের সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ। ফেসবুক আইডি হ্যাক করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল সৃষ্টিকারী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার বাংলাদেশ বিমানবাহিনী (বিএএফ) এবং বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিএএবি) যৌথ উদ্যোগে তিন দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি শীর্ষক সেমিনারে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অন্যের ফেসবুক হ্যাক করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা নিন্দনীয় এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তিনি এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যে বা যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা সমাজ ও দেশের শত্রু।

তিনি বলেন, ভোলার ঘটনাটি একটি মহল ভিন্ন খাতে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করেছে, কঠোর হস্তে তাদের দমন করা হবে।

সেমিনারে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দলগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে দলগত প্রচেষ্টা’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সেমিনার পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সামরিক ও বেসামরিক সংস্থাসমূহের মধ্যে উড্ডয়ন নিরাপত্তার মান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী বলেন, ফ্লাইট নিরাপত্তা শুধুমাত্র বিমানবাহিনীর একার নয়। প্রতিটি অ্যাভিয়েশন সংক্রান্ত সংস্থা নিরাপত্তা সংস্কৃতির চর্চা করে এর সুফল পেতে পারে। সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা তাদের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ফ্লাইট নিরাপত্তা মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হবেন বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত উপস্থিত ছিলেন। তিন দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি শীর্ষক সেমিনারে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, মালয়েশিয়া, ইতালি, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, সৌদি আরব, মিসর, ওমান, মরক্কো, নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে এবং বাংলাদেশের সামরিক প্রতিনিধিগণ অংশ নিচ্ছেন।

বাংলাদেশ থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি, পদ্মা ওয়েল কোম্পানি, বাংলাদেশ পারমাণবিক শক্তি কমিশন, এমআইএসটি এবং বাংলাদেশের অন্যান্য বেসামরিক বিমান এতে অংশ নিয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য