ফেইববুকে স্ট্যাটাস দেয়া সেই শুভসহ ৩ জন কারাগারে

ফেইববুকে স্ট্যাটাস দেয়া সেই শুভসহ ৩ জন কারাগারে

ফেইববুকে স্ট্যাটাস দেয়া সেই শুভসহ ৩ জন কারাগারে

ভোলায় সংঘর্ষের ঘটনায় বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য শুভসহ ৩ জনকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক হ্যাক হওয়ার পর ম্যাসেঞ্জারে মহানবী (সা.) কে নিয়ে কটূক্তি করায় ধর্ম অবমাননার জেরে ভোলার বোরহানউদ্দিনে সংঘর্ষের ঘটনায় বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য শুভসহ তিনজনকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার ভোলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদ আলম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো অন্য দু'জন হলেন, বোরহানউদ্দিনের কাচিয়া ইউনিয়নের  ইমন ও রাফসান ইসলাম শরীফ ওরফে শাকিল। এরমধ্যে, শাকিলকে গত রবিবার পটুয়াখালীর গলচিপা এবং ইমনকে কাচিয়া থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অন্য ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা আসামির সঙ্গে 'পরস্পর যোগসাজশে’ ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জারে ধর্ম নিয়ে কটূক্তি এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

রবিবার বোরহানউদ্দিন থানায় ‍উপপরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন।

গেল শুক্রবার বিকেলে, বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য শুভর ছবিসংবলিত ফেইসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে গালাগাল করা ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে কয়েকজন বন্ধুর ম্যাসেঞ্জারে মেসেজ পাঠানো হয়। পরে, এর প্রতিবাদে স্থানীয়রা প্রতিবাদ শুরু করেন। এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন মসজিদ থেকে মুসল্লিরা জড়ো হয়ে সমাবেশের ডাক দেয়। পরে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বোরহানউদ্দিন থানায় শুভর আইডি হ্যাক হয়েছে উল্লেখ করে জিডি করা হয়। এ জন্য শুভকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও করে পুলিশ।

পরবর্তীতে, শুভর বিচারের দাবিতে ঈদগাহ মাঠে তৌহিদী জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে স্থানীয়রা। তবে, পুলিশ এ সমাবেশের অনুমতি না দিলেও সকাল থেকেই লোকজন ঈদগাহ মাঠে লোকজন জড়ো হতে থাকে। মিছিল করতে না পেরে সেখানেই তারা অবস্থান করে বিক্ষোভ শুরু করে। এখান থেকে উত্তেজনার এক পর্যায়ের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পুলিশের গুলিতে চারজন নিহত হয় এং ১০ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত দেড়'শ জন আহত হয়।

পাঠকের মন্তব্য