একেই বলে নিজের পায়ে কুড়াল মারা

একেই বলে নিজের পায়ে কুড়াল মারা

একেই বলে নিজের পায়ে কুড়াল মারা

একেই বলে নিজের পায়ে কুড়াল মারা। সবাই যখন বাংলাদেশ- ভারতের ম্যাচ নিয়ে বিভোর; ঠিক তখনই সাকিবের নের্তৃতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের আনলাকী তের দফা দাবিতে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করার হুমকি। 

এমন এক সময় দাবিটা উত্থাপিত হয়েছিল যখন খেলোয়াড়দের মুল প্রশিক্ষণটি শুরু হয়েছিল। আর সবার মতোই আমিও আঁতকে উঠেছিলাম। কারণ এর পিছনে অদৃশ্য কারো উপস্থিতি যেন টের পাওয়া যাচ্ছিল। বিসিবি সভাপতি হিসেবে পাপনের রিয়্যাকশনটা সেদিন খুবই রূঢ় ছিল। বিশেষ করে তার পাশে ক্যাসিনো ক্যালেঙ্কারী লোকমান হোসেন ভূঁইয়াকে একেবারেই সহ্য করা যাচ্ছিল না। আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট কেবল উন্নতির পথে হাটছিল। দলের প্রাণভোমরা ছিল বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সেই সাকিবের হঠাৎ পরিবর্তন। বোর্ডকে পাশ কাটিয়ে মিডিয়ার সামনে বিবৃতি। কেমন যেন মেলানো যাচ্ছিল না। মনে হচ্ছিল কেউ যেন সুতোয় বেঁধে খেলছে। 

পরিস্থিতি দেখে তখনই মনটায় কু ডাকছিল। মনে হয়েছিল সামনে খারাপ কিছু অপেক্ষা করছে। যা ভবিষ্যতের ক্রিকেটের জন্য ভাল কিছু বয়ে আনবে না। শেষ পর্যন্ত সেটাই ঘটল। বাংলাদেশের ক্রিকেটের পায়ে কুড়াল মারল খেলোয়াড় আর বোর্ড কর্তারা। সাকিবকে আইসিসির এক বছরের নিষেধাজ্ঞা আমাদের গালে যেন চপেটাঘাত মারল। আমরা সবাই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে লাগলাম। কিন্তু নিজেদের জানার সীমাবদ্ধতার মধ্যে ক্ষোভ উগড়ে দেয়া ছাড়া আমাদের আর কী বা থাকতে পারে । আর দুদিন পর ভারতে গিয়ে বাংলাদেশ হারলে বলব ব্যাটাদের ম্যাচ ফি আর বেতন কমিয়ে দাও। আর জিতল তো কথাই নাই। পাপনের গুষ্টি উদ্ধার করা হবে।

কিন্তু ভদ্রর লোকের খেলায় মেজাজটা হারালে দেশের কতবড় ক্ষতি হয় এটা তার বড় উদাহরণ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা আমরা সাবেক ক্রিকেটাররা এই ঘটনায় ভীষণভাবে মর্মাহত।

ফেসবুক স্ট্যাটাস লিঙ্ক : হুমায়ুন কবির সূর্য

পাঠকের মন্তব্য