মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা

মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা

মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দেশে যেকোনো প্রকার মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (এনএইচআরসি) প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) বঙ্গভবনে চেয়ারম্যান নাসিমা বেগমের নেতৃত্বে এনএইচআরসির ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতে গেলে আবদুল হামিদ এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন বলেন, দেশের যেকোনো স্থানে যেকোনো প্রকার মানবাধিকার লঙ্ঘন দেখা গেলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি এনএইচআরসি প্রতিনিধিদলকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপতি কমিশনকে তৃণমূল পর্যায়ে এনএইচআরসি সামগ্রিক কার্যক্রম জোরদার করার পরামর্শও দেন যাতে লোকেরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং প্রয়োজনমতো কমিশনের কাছ থেকে সহায়তা পেতে পারেন। তিনি তাদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের জনগণকে এনএইচআরসির কার্যকারিতা সম্পর্কে জানতে দিন। জনগণের সামনে কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরুন।

মানবাধিকার জনগণের মৌলিক অধিকার হিসেবে উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এ সময় রাষ্ট্রপতি হামিদ আশা প্রকাশ করে বলেন, নবগঠিত এই কমিশন মানুষের অধিকার রক্ষায় সর্বাধিক কার্যকর ভূমিকা নেবে।

এনএইচআরসি হলো জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০০৯ এর অধীনে গঠিত একটি স্বাধীন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা প্রতিষ্ঠান। এনএইচআরসি প্রধান জাতীয় মানবাধিকার পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করে, সুরক্ষাকে সম্মান করার রাষ্ট্রীয় বাধ্যবাধকতা এবং সমাজের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার পরিপূরণ করে।

সাক্ষাতে এনএইচআরসি চেয়ারম্যান নাসিমা রাষ্ট্রপতিকে ভবিষ্যত পরিকল্পনা ও কমিশনের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। এছাড়াও, তিনি রাষ্ট্রপতিকে বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় চলমান প্রচারাভিযান সম্পর্কে অবহিত করেন। প্রতিনিধি দল এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করে।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মন্তব্য