বাগেরহাট উপ-নির্বাচনে একমাত্র বৈধ প্রার্থী আমিরুল আলম

বাগেরহাট উপ-নির্বাচনে একমাত্র বৈধ প্রার্থী আমিরুল আলম মিলন 

বাগেরহাট উপ-নির্বাচনে একমাত্র বৈধ প্রার্থী আমিরুল আলম মিলন 

বাগেরহাট-৪  (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ গ্রহনকারী ৩ প্রর্থীর মধ্যে বিএনপি ও জাপা মনোনীত ২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় একমাত্র বৈধ প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বচীত হবার পথে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় নেতা এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন।        

ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী রোববার বিকেলে বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে যাচাই বাছাই শেষে রিটার্নীং অফিসার মো. ইউনুচ আলী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন ও জাপা মনোনীত প্রার্থী সাজন কুমার মিস্ত্রীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। 
  
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা এবং ঋণ খেলাপী ও পৌর কর পরিশোধ না করায় ওই ২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নীং অফিসার। ফলে এ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী কেন্দ্রীয় নেতা এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচীত হওয়ার পথে।
  
বাগেরহাট-৪ আসনের রিটার্নীং অফিসার খুলনা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপনের ব্যাংক ঋণ ও পৌর কর বকেয়া রয়েছে এবং জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী সাজন কুমার মিস্ত্রীর ব্যাংকে ঋণ রয়েছে। তারা তাদের পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। প্রার্থীদের আপিলের তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিশন তাদের প্রার্থীতার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
 
গত ১০ জানুয়ারি বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেনের মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য হয়। গত ৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন উপ-নির্বাচনের তফসীল ঘোষণা করে। ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী গত ১৯ ফেব্রুয়ারি এই আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির তিন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। আগামী ২১ মার্চ এই শুন্য আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। 
 

পাঠকের মন্তব্য