করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করেছে জাপানের ওসাকা

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করেছে জাপানের ওসাকা

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করেছে জাপানের ওসাকা

প্রাণঘাতী নতুন করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করেছে জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশটির ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি অ্যানজেস কর্পোরেশন। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এই ভ্যাকসিন তৈরি সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, যৌথ উদ্যোগে করোনভাইরাসের ডিএনএ ভ্যাকসিন তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই প্রাণীর দেহে এই ভাইরাসের পরীক্ষা চালানো হবে।

মঙ্গলবার ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যানজেস কর্পোরেশনের এই ঘোষণার পর টোকিও শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ১৭ শতাংশ বেড়ে যায়। ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে গত ৫ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু করে দেশটির ওষুধ প্রস্তুতকারক জায়ান্ট কোম্পানি অ্যানজেস।

কোম্পানিটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ডিএনএ'র (প্লাজমিড) কিছু অংশ প্রবেশ করানো হবে। পরে রোগীর শরীরে তৈরি হওয়া প্রোটিন ইমোনাইজড হয়ে করোনাভাইরাসকে ধ্বংস করবে।

ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি অধ্যয়নরত নাদিম মাহমুদ (বাংলাদেশি) ফেসবুকে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, কভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরি করেছে আমাদের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মাত্র ১৯ দিনের প্রচেষ্টায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাঞ্জেস কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে ডিএনএ ভ্যাকসিন তৈরি হলো। ভ্যাকসিনটি তৈরির পর এখন অপেক্ষা কেবল প্রাণীর দেহে পরীক্ষার।

তিনি আরো লিখেছেন, মূলত করোনা ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য শরীরে ‘এক টুকরা ডিএনএ (প্লাজমিড) শরীরে প্রবেশ করানো হবে, সেখান থেকে তৈরি হওয়া প্রোটিন পরবর্তীতে ইমোনাইজড হয়ে নভেল করোনা ভাইরাসকে ধ্বংস করে দেবে। জাপানের প্রভাবশালী ঔষধ কোম্পানি তাকারা ভ্যাকসিনটি বাজারজাতকরণের দায়িত্ব নিয়েছে।

ফুজি ফি্লম হোল্ডিং কর্পোরেশনের ‘Avigan’ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধকারী ঔষধের পর এটি একটি ভাল খবর বটে। আশা করি, এই ভ্যাকসিন শিগগির বিশ্বে প্রাণ সংহার কমিয়ে আনবে। ফেসবুক স্ট্যাটাস লিঙ্ক : Nadim Mahmud

পাঠকের মন্তব্য